আওয়ামী লীগ ৩৮, বিএনপি ৩ বিদ্রোহী ১০ বেসরকারি ফল

ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক ঃ
তৃতীয় দফায় গতকাল দেশের ৬৪ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত পাওয়া বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে ৫১ পৌরসভার। এর মধ্যে মেয়র পদে ৩৮ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রাথী নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ৩টি পৌরসভায় বিএনপি ও ১০টিতে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীরা মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত স্বতন্ত্র মেয়রদের মধ্যে ৭ জনই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র হয়েছেন কুমিল্লার লাকসামে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক আবুল খায়ের ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একই দলের শেখ তোজাম্মেল হোসেন টুটুল।

কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. পারভেজ মিয়া দ্বিতীয় মেয়াদে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ৮২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হাজি মো. ইসরাইল মিয়া পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৫৪ ভোট।
হিলি-হাকিমপুরে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের জামিল হোসেন চলন্ত। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৩৭ ভোট।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভায় বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান মেয়র মো. মতিয়ার রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৭ হাজার ৭৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান বুলেট পেয়েছেন ১ হাজার ৯১ ভোট।
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভা নির্বাচনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আনোয়ার হোসেন আকন। তার নিকটম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহবুবুর রহমান খান।

নড়াইল পৌরসভায় বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আঞ্জুমান আরা। তিনি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জুলফিকার আলী পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৬২ ভোট।
কালিয়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. ওয়াহিদুজ্জামান হিরা ১২ হাজার ২১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এসএম ওয়াহিদুজ্জামান মিলু পেয়েছেন ৬২৬ ভোট।

রাজবাড়ীর পাংশা পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. ওয়াজেদ আলী মাস্টার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
#
মৌলভীবাজার পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৯৭ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী অলিউর রহমান পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৩৩ ভোট।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আ স ম মাহবুব উল আলম লিপন। তিনি পেয়েছেন ২৩ হাজার ২১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল মান্নান খান বাচ্চু পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৪৫ ভোট।
নাটোরের সিংড়া পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস নৌকা প্রতীকে ১৯ হাজার ৪২১ ভোট পেয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির তায়জুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩১২।

বগুড়ার কাহালু পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির আলহাজ আবদুল মান্নান ৫ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলহাজ মো. হেলাল উদ্দিন কবিরাজ নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ২৯০ ভোট।
শিবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তৌহিদুর রহমান মানিক দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৯৮টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মতিয়ার রহমান মতিন পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬৬।
ধুনট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এজিএম বাদশাহ তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৯০৬। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী টিআইএম নুরুন্নবী তারিক নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ১৫৫ ভোট।
নন্দীগ্রাম পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনিছার রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৬৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সুশান্ত কুমার শান্ত পেয়েছেন ৫ হাজার ১৮৮ ভোট।

গাবতলী পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৫৯। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোমিনুল হক শিলু। তিনি নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৫ হাজার ১৫৫।
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল বাশার চোকদার বেসরকারিভারেব নির্বাচিত হয়েছেন। জাজিরা পৌরসভায় বেসরকারিভারেব নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ইদ্রিস মাদবর। আর নড়িয়া পৌরসভায় বেসরকারিভারেব নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ।

ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম ৭ হাজার ১৯৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির মনিরুজ্জামান কবির পেয়েছেন ৬৬২ ভোট।
দৌলতখান পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের জাকির হোসেন তালুকদার তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৮৩০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির আনোয়ার হোসেন কাকন পেয়েছেন ৮৪০ ভোট।
ফেনী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম স্বপন ৬৯ হাজার ৩০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলাল উদ্দিন আলাল পেয়েছেন ১ হাজার ৯৪৯ ভোট।

সিলেটের জকিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল আহাদ (নারিকেল গাছ) ২ হাজার ১৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী ফারুক আহমদ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮১ ভোট।
ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. একেএম মেজবাহউদ্দিন কাইয়ুম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১৩ হাজার ৭৯৬। নিকটতম প্রার্থী বিএনপির হাতেম খান পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৮৪ ভোট।
খুলনার পাইকগাছায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেলিম জাহাঙ্গীর তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৬৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিবির প্রার্থী অ্যাডভোকেট প্রশান্ত ম-ল পেয়েছেন ১ হাজার ৬২০ ভোট।

বরিশালের গৌরনদী?পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের হারিছুর রহমান হারিছ এবং মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের আলহাজ কামাল উদ্দিন খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
নোয়াখালীর চৌমুহনী পৌরসভায় মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ সাইফুল্যাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মোবাইল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আক্তার হোসেন ফয়সল পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৩৫ ভোট। আর বিএনপির জহির উদ্দিন হারুন পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৬২ ভোট।

বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া পৌরসভায় ১৬ হাজার ৯৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী কেএম ওবায়দুল্লাহ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কাজী আবদুর রহিম পেয়েছেন ২ হাজার ৮৫৫ ভোট।
কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মামুন সরকার মিঠু নৌকা প্রতীকে ১৫ হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হায়দার আলী মিঞা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৪১৩ ভোট।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের সালমা আক্তার শমুল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডিএম শফিকুল ইসলাম ফরিদ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৪ ভোট।
ভূঞাপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাসুদুল হক মাসুদ ৯ হাজার ৪৯৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ৪ হাজার ৫০৫ ভোট।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের জিএম মীর হোসেন মীরু। তিনি পেয়েছেন ১৫ হাজার ৯২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি হারুন অর রশিদ মজুমদার পেয়েছেন ১ হাজার ৮৮০ ভোট।
বরুড়া পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বখতেয়ার হোসেন বকতার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ২২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জসীম উদ্দিন পাটোয়ারী পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৫৩ ভোট।
নওগাঁর ধামইরহাটে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মো. আমিনুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী চপল পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৯ ভোট।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌরসভায় মেয়র পদে শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৪২৩ ভোট।
নকলা পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বর্তমান মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১২ হাজার ৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র অধ্যাপক মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৪ হাজার ১৫০ ভোট।
যশোরের মনিরামপুর পৌরসভায় মেয়র পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের উপজেলা সভাপতি আলহাজ অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান। তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৭০০ ভোট।
বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৬৭ ভোট। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতস্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মো. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৩৬ ভোট।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মুকিতুর রহমান রাফি। তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ১৪৯ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির ফারুক আহাম্মেদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৯৪।
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো. গোলাম কবির বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদুর রহমান খান পেয়েছেন ৩ হাজার ১৪৪ ভোট।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রাথী আবুল খায়ের পাটওয়ারী ১৬ হাজার ৫২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন বাচ্চু পেয়েছেন ২ হাজার ২৮৬ ভোট।
সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামন বুলবুল ১৩ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী নারগিস সুরতানা পেয়েছেন ১ হাজার ৩০২ ভোট।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভায় মেয়র পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আলা উদ্দিন আলাল। তার নিকটতম প্রতি উপজেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ জামাল উদ্দিন মাস্টার পেয়েছেন ১ হাজার ৮৯৯ ভোট।
নওগাঁ পৌরসভা নির্বাচনে টানা তৃতীয়বারের মতো মেয়র পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নজমুল হক সনি। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নির্মল কৃষ্ণ সাহা নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৪৪ ভোট।
মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব নৌকা প্রতীকে ২৭ হাজার ২৭৬ ভোট পেয়ে বেসকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপি মনোনীত শহীদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৬০৪ ভোট।
পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এ প্রার্থী শরীফ উদ্দিন প্রধান বেসরকারি ঘোষিত ফলে বিজয়ী হয়েছে। নারিকেলগাছ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯৬৯ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেলা যুুবলীগের আহ্বায়ক আলী মুর্তজা বিশ্বাস সনি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮৪৭ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মতিউর রহমান খান ৭৬২৭ ভোট পেয়ে বেসকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকে গোলাম রাব্বানী বিশ^াস পেয়েছেন ৭০৬২ ভোট।
জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনিরউদ্দিন ২৭৪৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের একেএম ফয়জুল কবির তালুকদার শাহীন পেয়েছেন ৩৪৭১ ভোট।
সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌরসভা নির্বাাচনে বেসরকারিভাবে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম রাবেল। জগ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া আহমদ পাপলু মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৪৮ ভোট।

Pin It

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *