চাকরিতে প্রবেশের বয়স না বাড়ার কারন জানালেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর সম্পর্কে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মুলতবি অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বগুড়া-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন চাকরিতে বয়সসীমা নিয়ে স্পিকারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন। মোশারফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, আগের মতো এখন আর সেশনজট নেই। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থাকায় চাকরি প্রার্থীরা স্নাতক পাসের পরও ৬ থেকে ৭ বছর সময় পেয়ে থাকেন। আবেদনের সময় বাড়ানো হলে যাদের বয়স ৩০ বছরের বেশি তারা সুযোগ পেলেও ৩০ বছরের কম বয়সী প্রার্থীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়াও ৩০ বছর বয়সসীমার মধ্যে একজন প্রার্থী চাকরির আবেদন করলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হতে দুই এক বছর সময় লাগলেও তা গণনা করা হয় না।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, সম্প্রতি চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ করায় শূন্য পদের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পেয়েছে। এক্ষেত্রে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ালে বিভিন্ন পদের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়বে। এসব কারণে আপাতত সরকারের চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের নেই।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মুলতবি অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বগুড়া-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন চাকরিতে বয়সসীমা নিয়ে স্পিকারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের সেশনজট থাকলেও বর্তমানে তা নেই। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ১৬ বৎসরে এসএসসি, ১৮ বছরে এইচএসসি এবং ২৩/২৪ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে থাকে। এ ছাড়াও ৩০ বছর বয়সসীমার মধ্যে একজন প্রার্থী চাকরির আবেদন করলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হতে দুই এক বছর সময় লাগলেও তা গণনা করা হয় না।

ফরহাদ হোসেন বলেন, সম্প্রতি চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ করায় শূন্য পদের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পেয়েছে। তিনি জানান, সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও এর অধীনে অধিদপ্তর/পরিদপ্তর/দপ্তর এবং সংবিধিবদ্ধ/ স্বায়ত্তশাসিত/জাতীয়করণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে করোনার পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন ক্যাটাগরির সরকারি চাকরিতে (বিসিএস ছাড়া) সরাসরি নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি সে সব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকাশিতব্য বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৫ মার্চ, ২০২০ তারিখ নির্ধারণপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার
জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এই রকম আরো কিছু খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button