সড়কে গাড়ির বহর, স্বাস্থ্যবিধি নেই আবাসিক এলাকায়

কাজের সামাদ :সড়কগুলো দেখলে মনে হবে গণপরিবহনের বদলে ব্যক্তিগত পরিবহন প্রথা চালু করা হয়েছে। কারণ রাজধানীর প্রতিটি সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ লাইন।

মোড়ে মোড়ে চেকপোস্টে ব্যস্ত সময় কাটছে পুলিশ কর্মকর্তাদের। কারণ জরুরি প্রয়োজনে রাস্তায় বের হতে হলেও সঙ্গে থাকতে হবে মুভমেন্ট পাস। রাস্তায় বের হওয়া ব্যক্তির সঙ্গে মুভমেন্ট পাস আছে কি না সেটি যাচাই-বাছাই করছেন পুলিশ সদস্যরা। রাস্তায় বের হওয়ার সঠিক কারণ দেখাতে পারলে ছাড়া পাচ্ছেন, নইলে খেতে হচ্ছে মামলা।

রাজধানীর কারওয়ানবাজার, মোহাম্মদপুর, শ্যামলীসহ বেশ কয়েকটি রাস্তা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। প্রধান সড়কে স্বাভাবিক সময়ের মতো ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ জট। ফলে সড়কের পণ্যবাহি গাড়িগুলোকে গন্তব্য যেতে হচ্ছে ধির গতিতে।

এদিকে প্রধান সড়কের মতো একই চিত্র আবাসিক এলাকাগুলোর অলিতে-গলিতে। যে যার মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে। চায়ের দোকান, হোটেল খোলা। অনেকেই আড্ডা দিচ্ছেন। আবার অনেকে মাস্ক ছাড়া দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। গলির দুই পাশে সবজি, ফলসহ ভাসমান বিক্রেতারা সারাদিন বসে থাকেন পসরা সাজিয়ে। ফলে সেখানেও ভিড়। এসব দোকানেও উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। একই চিত্র দেখা মিলেছে আবাসিক এলাকাগুলোর বাজারে।

আবাসিক এলাকাগুলোর মূল সড়কে পুলিশের তৎপরতা দেখা গেলেও অলি-গলিতে দেখা যায়নি। প্রধান সড়কগুলোতে পুলিশের গাড়ি আসলে সবাই হুড়োহুড়ি করে সটকে পড়ে। দোকানগুলো সাটার লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে। পুলিশ চলে যাওয়ার পর ফের আগের দৃশ্য।

এদিকে, করোনায় মৃতরে সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পর পর গত দুইদিনই মৃতের সংখ্যা শতকের ঘর পেরিয়েছে। যা খুবই উদ্বেগজনক। এমন পরিস্থিতিতে চলমান সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একটি গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখনো ঊর্ধ্বমুখী। তাই সরকার চিন্তাভাবনা করছে লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে ১৯ এপ্রিলের সভায়।

এই রকম আরো কিছু খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button