সফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার লালমনিরহাট
আজ সকাল ১১:৩০ মিনিট ২৬-০২-২০২৫ইং তারিখ,রোজ রবিবার আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বুড়িমারী স্থল বন্দরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। এই দিবসটি সারা বিশ্বের কাস্টমস পরিবারের জন্য দিবসটি উৎসব এবং মর্যাদার।
এবারের প্রতিপাদ্য
কাস্টম সেবায় প্রতিশ্রুতি
দক্ষতা নিরাপত্তা প্রগতি।
কাস্টম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং অংশীজনের মধ্যে শোহাদ্য স্থাপনের লক্ষ্যে ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর সারা বিশ্বে একযোগে পালিত হয় আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস বিশ্ব বাণিজ্য উদাহারিকরনের অংশ হিসেবে পণ্য আমদানিতে শুল্ক হ্রাস এবং কাস্টমসের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সুরক্ষা আমদানি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ রপ্তানিকে উৎসাহিত করনসহ বাণিজ্যর সহযোগী কারণে অপরিহার্য ভূমিকার জন্য কাস্টমসের গুরুত্ব পূর্বের তুলনায় বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্বব্যাপী একথা স্বীকৃত যে দেশের কাস্টমস যতদক্ষ সে দেশ বাণিজ্য প্রসারের তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নে তত বেশি অগ্রসর তাই all customs organisation (WCO) এর ১৮৬টি সদস্য দেশ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা এবং গুরুত্বের সাথে একযোগে প্রতিবছর এ দিবস টি পালন করে থাকে।
আমদানির শুল্ক রাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এর লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে general agreement on Tariffs and Trade (GATT) স্বাক্ষরিত হয়। এরেই ধারাবাহিকতায় কাস্টম সংক্রান্ত নীতিমালা বিশ্লেষণের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে ১৩ টি ইউরোপিয়ান দেশ কৃতক একটি স্টাডি গ্রুপ তৈরি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কেবল রাজস্ব আহরণের ঐতিহাসিক ভূমিকা থেকে অগ্রসর হয়ে বিশ্বজুড়ে কাস্টম বিভাগ এখন বৈধ বাণিজ্য সহায়তা করনের উদ্দেশ্যে নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে দক্ষতার উন্নয়ন অপরিহার্য প্রতিরোধের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান এবং দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অংশীদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
কাস্টম সংক্রান্ত অনুষ্ঠানিকতা সমূহের আধুনিকায়ন ডাটা ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের উৎসাহীকরণ বহুল ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং সামগ্রিকভাবে প্রচলিত কার্যপ্রণালী কে আরো উন্নত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ কাস্টম নিরন্তর ভাবে দক্ষতার উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কিন্তু ১ই জানুয়ারি ২০২২ থেকে পরিমাণ -পরিমাপ নির্বিশেষে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিতে শুল্কর পরিষদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাণিজ্য সহযোগীকরণের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পণ্যের শ্রেণীবিন্যাস এবং রুলস অফ অরিজিন সংক্রান্ত অগ্রিম রুলিং পদ্ধতি চালু করেছে।
কাস্টমস নিলাম প্রক্রিয়া সহজিকরণ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ইতিমধ্যে কাস্টম হাউস চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস বেনাপোল কাস্টম হাউস মংলায় E- auction কার্যক্রম চালু করেছে। কাস্টম বন্দর আওতায় আনিত পণ্য চালান দ্রুত খালাস প্রদান এবং বন ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের জন্য বন অটোমেশন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে আমদানি রপ্তানির পর আড়ালে অভার ইনভেয়েসিং ও মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে মানি লন্ডারিং জাতীয় অপরাধ প্রতিরোধে বাংলাদেশের কাস্টম এর কার্যক্রম ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু বুড়িমারী স্থল বন্দরে বিভিন্ন সময় অবৈধ পণ্য আমদানি রপ্তানি করে আসছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, যা দেশের জন্য এবং ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই একটা বাজে ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেমন কিছুদিন পর পর ভারত থেকে ভুটান থেকে অবৈধ আমদানিকৃত পণ্য অবৈধ পন্থায় কাস্টম স এর চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে অবৈধ পণ্য নিয়ে আসে, বুড়িমারী স্থল বন্দরে যা ধরা পড়ে বিজিবির নিকট। যা অত্যন্ত লজ্জা কর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় বুড়িমারী স্থল বন্দরের ব্যবসায়ী মহলে।
আরেকটি বিষয় বুড়িমারী স্থল বন্দরের আমদানি রপ্তানিতে মোটা অংকের কর ফাঁকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বিগত দিনে। যা দেশের জন্য খুবই মারাত্মক।
বুড়িমারী স্থল বন্দর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বিতীয় স্থলবন্দর হিসাবে স্বীকৃত কিন্তু অব্যবস্থাপনা রাস্তাঘাটের বেহাল দশা পন্য খালাসে জটিলতা এবং সব সময় বিভিন্ন চোরা চালানের জন্য বন্দরটি খুবই চিন্তার কারণ বলে বিভিন্ন বিভিন্ন মাধ্যমে বিভিন্ন সময় জানা যায়।
বিভিন্ন সময় রাস্তার দুধারে ভারতীয় ট্রাক এবং বাংলাদেশের ট্রাকের মাল-মাল লোড-আনলোড এবং স্টপেজ করে রাখে। তাই এপাশ-ওপাশ যানজটের সৃষ্টি হয়, এবং বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনায় পতিত হয় যা খুবই দুঃখজনক।
আরেকটি বিষয় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ওভারলোডিং ভারতের গাড়িগুলো ডালা ভর্তি করে পাথর নিয়ে আসেন তাই যেকোনো সময় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।
সর্বোপরি বন্দরের অমাবস্থাপনা এবং অদূরদর্শিতা ইদানিং ভাবিয়ে তুলেছে সাধারণ মানুষের কাছে, যেমন যেখানে সেখানে ট্রাক লোড-আনলোড, পাথর ক্রসিং মেশিন গুলো কোন ধরনের নিয়ম-কানুন না মেনে, দিনরাত চলতেছে এবং পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করিতেছে, পানির কোন ব্যবস্থা নেই।
অবৈধ ভাবে ইলেকট্রিসিটির ব্যবহার এবং বিভিন্নভাবে লাইমস্টন, ডলোচুন, মাটি ও বিভিন্ন পাথরের গুড়া দিয়ে নিম্নমানের ভারত ও ভুটানের সাদা পাথর দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্যাকেটজাত লাইম।
সর্বোপরি এই বুড়িমারী স্থল বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সহ সকল কার্যক্রমে গতিশীলতা ও পরিচ্ছন্নতা আনতে হবে।
এবং সকল ব্যবসায়ী মহল ও সরকারি সব প্রতিষ্ঠান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে,দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে হবে। তাই সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে সবার অংশগ্রহণ ও বাস্তবায়ন একটি সুস্থ সুন্দর জাতি গঠনে সকলের ভূমিকা মুখ্য হবে বলে উক্ত সভায় প্রতিফলিত হয়।
বুড়িমারী স্থল বন্দরে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
সফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার লালমনিরহাট
আজ সকাল ১১:৩০ মিনিট ২৬-০২-২০২৫ইং তারিখ,রোজ রবিবার আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বুড়িমারী স্থল বন্দরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। এই দিবসটি সারা বিশ্বের কাস্টমস পরিবারের জন্য দিবসটি উৎসব এবং মর্যাদার।
এবারের প্রতিপাদ্য
কাস্টম সেবায় প্রতিশ্রুতি
দক্ষতা নিরাপত্তা প্রগতি।
কাস্টম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং অংশীজনের মধ্যে শোহাদ্য স্থাপনের লক্ষ্যে ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর সারা বিশ্বে একযোগে পালিত হয় আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস বিশ্ব বাণিজ্য উদাহারিকরনের অংশ হিসেবে পণ্য আমদানিতে শুল্ক হ্রাস এবং কাস্টমসের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সুরক্ষা আমদানি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ রপ্তানিকে উৎসাহিত করনসহ বাণিজ্যর সহযোগী কারণে অপরিহার্য ভূমিকার জন্য কাস্টমসের গুরুত্ব পূর্বের তুলনায় বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্বব্যাপী একথা স্বীকৃত যে দেশের কাস্টমস যতদক্ষ সে দেশ বাণিজ্য প্রসারের তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নে তত বেশি অগ্রসর তাই all customs organisation (WCO) এর ১৮৬টি সদস্য দেশ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা এবং গুরুত্বের সাথে একযোগে প্রতিবছর এ দিবস টি পালন করে থাকে।
আমদানির শুল্ক রাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এর লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে general agreement on Tariffs and Trade (GATT) স্বাক্ষরিত হয়। এরেই ধারাবাহিকতায় কাস্টম সংক্রান্ত নীতিমালা বিশ্লেষণের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে ১৩ টি ইউরোপিয়ান দেশ কৃতক একটি স্টাডি গ্রুপ তৈরি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কেবল রাজস্ব আহরণের ঐতিহাসিক ভূমিকা থেকে অগ্রসর হয়ে বিশ্বজুড়ে কাস্টম বিভাগ এখন বৈধ বাণিজ্য সহায়তা করনের উদ্দেশ্যে নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে দক্ষতার উন্নয়ন অপরিহার্য প্রতিরোধের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান এবং দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অংশীদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
কাস্টম সংক্রান্ত অনুষ্ঠানিকতা সমূহের আধুনিকায়ন ডাটা ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের উৎসাহীকরণ বহুল ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং সামগ্রিকভাবে প্রচলিত কার্যপ্রণালী কে আরো উন্নত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ কাস্টম নিরন্তর ভাবে দক্ষতার উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কিন্তু ১ই জানুয়ারি ২০২২ থেকে পরিমাণ -পরিমাপ নির্বিশেষে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিতে শুল্কর পরিষদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাণিজ্য সহযোগীকরণের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পণ্যের শ্রেণীবিন্যাস এবং রুলস অফ অরিজিন সংক্রান্ত অগ্রিম রুলিং পদ্ধতি চালু করেছে।
কাস্টমস নিলাম প্রক্রিয়া সহজিকরণ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ইতিমধ্যে কাস্টম হাউস চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস বেনাপোল কাস্টম হাউস মংলায় E- auction কার্যক্রম চালু করেছে। কাস্টম বন্দর আওতায় আনিত পণ্য চালান দ্রুত খালাস প্রদান এবং বন ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের জন্য বন অটোমেশন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে আমদানি রপ্তানির পর আড়ালে অভার ইনভেয়েসিং ও মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে মানি লন্ডারিং জাতীয় অপরাধ প্রতিরোধে বাংলাদেশের কাস্টম এর কার্যক্রম ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু বুড়িমারী স্থল বন্দরে বিভিন্ন সময় অবৈধ পণ্য আমদানি রপ্তানি করে আসছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, যা দেশের জন্য এবং ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই একটা বাজে ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেমন কিছুদিন পর পর ভারত থেকে ভুটান থেকে অবৈধ আমদানিকৃত পণ্য অবৈধ পন্থায় কাস্টম স এর চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে অবৈধ পণ্য নিয়ে আসে, বুড়িমারী স্থল বন্দরে যা ধরা পড়ে বিজিবির নিকট। যা অত্যন্ত লজ্জা কর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় বুড়িমারী স্থল বন্দরের ব্যবসায়ী মহলে।
আরেকটি বিষয় বুড়িমারী স্থল বন্দরের আমদানি রপ্তানিতে মোটা অংকের কর ফাঁকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বিগত দিনে। যা দেশের জন্য খুবই মারাত্মক।
বুড়িমারী স্থল বন্দর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বিতীয় স্থলবন্দর হিসাবে স্বীকৃত কিন্তু অব্যবস্থাপনা রাস্তাঘাটের বেহাল দশা পন্য খালাসে জটিলতা এবং সব সময় বিভিন্ন চোরা চালানের জন্য বন্দরটি খুবই চিন্তার কারণ বলে বিভিন্ন বিভিন্ন মাধ্যমে বিভিন্ন সময় জানা যায়।
বিভিন্ন সময় রাস্তার দুধারে ভারতীয় ট্রাক এবং বাংলাদেশের ট্রাকের মাল-মাল লোড-আনলোড এবং স্টপেজ করে রাখে। তাই এপাশ-ওপাশ যানজটের সৃষ্টি হয়, এবং বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনায় পতিত হয় যা খুবই দুঃখজনক।
আরেকটি বিষয় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ওভারলোডিং ভারতের গাড়িগুলো ডালা ভর্তি করে পাথর নিয়ে আসেন তাই যেকোনো সময় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।
সর্বোপরি বন্দরের অমাবস্থাপনা এবং অদূরদর্শিতা ইদানিং ভাবিয়ে তুলেছে সাধারণ মানুষের কাছে, যেমন যেখানে সেখানে ট্রাক লোড-আনলোড, পাথর ক্রসিং মেশিন গুলো কোন ধরনের নিয়ম-কানুন না মেনে, দিনরাত চলতেছে এবং পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করিতেছে, পানির কোন ব্যবস্থা নেই।
অবৈধ ভাবে ইলেকট্রিসিটির ব্যবহার এবং বিভিন্নভাবে লাইমস্টন, ডলোচুন, মাটি ও বিভিন্ন পাথরের গুড়া দিয়ে নিম্নমানের ভারত ও ভুটানের সাদা পাথর দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্যাকেটজাত লাইম।
সর্বোপরি এই বুড়িমারী স্থল বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সহ সকল কার্যক্রমে গতিশীলতা ও পরিচ্ছন্নতা আনতে হবে।
এবং সকল ব্যবসায়ী মহল ও সরকারি সব প্রতিষ্ঠান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে,দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে হবে। তাই সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে সবার অংশগ্রহণ ও বাস্তবায়ন একটি সুস্থ সুন্দর জাতি গঠনে সকলের ভূমিকা মুখ্য হবে বলে উক্ত সভায় প্রতিফলিত হয়।
বুড়িমারী স্থল বন্দরে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
সফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার লালমনিরহাট
আজ সকাল ১১:৩০ মিনিট ২৬-০২-২০২৫ইং তারিখ,রোজ রবিবার আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বুড়িমারী স্থল বন্দরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। এই দিবসটি সারা বিশ্বের কাস্টমস পরিবারের জন্য দিবসটি উৎসব এবং মর্যাদার।
এবারের প্রতিপাদ্য
কাস্টম সেবায় প্রতিশ্রুতি
দক্ষতা নিরাপত্তা প্রগতি।
কাস্টম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং অংশীজনের মধ্যে শোহাদ্য স্থাপনের লক্ষ্যে ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর সারা বিশ্বে একযোগে পালিত হয় আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস বিশ্ব বাণিজ্য উদাহারিকরনের অংশ হিসেবে পণ্য আমদানিতে শুল্ক হ্রাস এবং কাস্টমসের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সুরক্ষা আমদানি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ রপ্তানিকে উৎসাহিত করনসহ বাণিজ্যর সহযোগী কারণে অপরিহার্য ভূমিকার জন্য কাস্টমসের গুরুত্ব পূর্বের তুলনায় বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্বব্যাপী একথা স্বীকৃত যে দেশের কাস্টমস যতদক্ষ সে দেশ বাণিজ্য প্রসারের তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নে তত বেশি অগ্রসর তাই all customs organisation (WCO) এর ১৮৬টি সদস্য দেশ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা এবং গুরুত্বের সাথে একযোগে প্রতিবছর এ দিবস টি পালন করে থাকে।
আমদানির শুল্ক রাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এর লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে general agreement on Tariffs and Trade (GATT) স্বাক্ষরিত হয়। এরেই ধারাবাহিকতায় কাস্টম সংক্রান্ত নীতিমালা বিশ্লেষণের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে ১৩ টি ইউরোপিয়ান দেশ কৃতক একটি স্টাডি গ্রুপ তৈরি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কেবল রাজস্ব আহরণের ঐতিহাসিক ভূমিকা থেকে অগ্রসর হয়ে বিশ্বজুড়ে কাস্টম বিভাগ এখন বৈধ বাণিজ্য সহায়তা করনের উদ্দেশ্যে নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে দক্ষতার উন্নয়ন অপরিহার্য প্রতিরোধের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান এবং দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অংশীদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
কাস্টম সংক্রান্ত অনুষ্ঠানিকতা সমূহের আধুনিকায়ন ডাটা ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের উৎসাহীকরণ বহুল ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং সামগ্রিকভাবে প্রচলিত কার্যপ্রণালী কে আরো উন্নত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ কাস্টম নিরন্তর ভাবে দক্ষতার উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কিন্তু ১ই জানুয়ারি ২০২২ থেকে পরিমাণ -পরিমাপ নির্বিশেষে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিতে শুল্কর পরিষদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাণিজ্য সহযোগীকরণের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পণ্যের শ্রেণীবিন্যাস এবং রুলস অফ অরিজিন সংক্রান্ত অগ্রিম রুলিং পদ্ধতি চালু করেছে।
কাস্টমস নিলাম প্রক্রিয়া সহজিকরণ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ইতিমধ্যে কাস্টম হাউস চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস বেনাপোল কাস্টম হাউস মংলায় E- auction কার্যক্রম চালু করেছে। কাস্টম বন্দর আওতায় আনিত পণ্য চালান দ্রুত খালাস প্রদান এবং বন ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের জন্য বন অটোমেশন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে আমদানি রপ্তানির পর আড়ালে অভার ইনভেয়েসিং ও মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে মানি লন্ডারিং জাতীয় অপরাধ প্রতিরোধে বাংলাদেশের কাস্টম এর কার্যক্রম ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু বুড়িমারী স্থল বন্দরে বিভিন্ন সময় অবৈধ পণ্য আমদানি রপ্তানি করে আসছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, যা দেশের জন্য এবং ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই একটা বাজে ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেমন কিছুদিন পর পর ভারত থেকে ভুটান থেকে অবৈধ আমদানিকৃত পণ্য অবৈধ পন্থায় কাস্টম স এর চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে অবৈধ পণ্য নিয়ে আসে, বুড়িমারী স্থল বন্দরে যা ধরা পড়ে বিজিবির নিকট। যা অত্যন্ত লজ্জা কর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় বুড়িমারী স্থল বন্দরের ব্যবসায়ী মহলে।
আরেকটি বিষয় বুড়িমারী স্থল বন্দরের আমদানি রপ্তানিতে মোটা অংকের কর ফাঁকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বিগত দিনে। যা দেশের জন্য খুবই মারাত্মক।
বুড়িমারী স্থল বন্দর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বিতীয় স্থলবন্দর হিসাবে স্বীকৃত কিন্তু অব্যবস্থাপনা রাস্তাঘাটের বেহাল দশা পন্য খালাসে জটিলতা এবং সব সময় বিভিন্ন চোরা চালানের জন্য বন্দরটি খুবই চিন্তার কারণ বলে বিভিন্ন বিভিন্ন মাধ্যমে বিভিন্ন সময় জানা যায়।
বিভিন্ন সময় রাস্তার দুধারে ভারতীয় ট্রাক এবং বাংলাদেশের ট্রাকের মাল-মাল লোড-আনলোড এবং স্টপেজ করে রাখে। তাই এপাশ-ওপাশ যানজটের সৃষ্টি হয়, এবং বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনায় পতিত হয় যা খুবই দুঃখজনক।
আরেকটি বিষয় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ওভারলোডিং ভারতের গাড়িগুলো ডালা ভর্তি করে পাথর নিয়ে আসেন তাই যেকোনো সময় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।
সর্বোপরি বন্দরের অমাবস্থাপনা এবং অদূরদর্শিতা ইদানিং ভাবিয়ে তুলেছে সাধারণ মানুষের কাছে, যেমন যেখানে সেখানে ট্রাক লোড-আনলোড, পাথর ক্রসিং মেশিন গুলো কোন ধরনের নিয়ম-কানুন না মেনে, দিনরাত চলতেছে এবং পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করিতেছে, পানির কোন ব্যবস্থা নেই।
অবৈধ ভাবে ইলেকট্রিসিটির ব্যবহার এবং বিভিন্নভাবে লাইমস্টন, ডলোচুন, মাটি ও বিভিন্ন পাথরের গুড়া দিয়ে নিম্নমানের ভারত ও ভুটানের সাদা পাথর দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্যাকেটজাত লাইম।
সর্বোপরি এই বুড়িমারী স্থল বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সহ সকল কার্যক্রমে গতিশীলতা ও পরিচ্ছন্নতা আনতে হবে।
এবং সকল ব্যবসায়ী মহল ও সরকারি সব প্রতিষ্ঠান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে,দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে হবে। তাই সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে সবার অংশগ্রহণ ও বাস্তবায়ন একটি সুস্থ সুন্দর জাতি গঠনে সকলের ভূমিকা মুখ্য হবে বলে উক্ত সভায় প্রতিফলিত হয়।
