ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক:
দীর্ঘ ২১ বছর পর বাংলাদেশি নার্সদের একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী নির্বাচন আগামী ০৩ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মহাসচিব পদপ্রার্থী জনাব আসাদুজ্জামান জুয়েল, যাহার রাজনৈতিক গুরু বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান।
প্রকৃতপক্ষে সুজন মিয়া হচ্ছেন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নার্সিং কর্মকর্তা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, সমস্ত সরকারি হাসপাতালগুলোতে যে সমস্ত চিকিৎসা সেবা, পরিক্ষা নিরীক্ষা সম্ভব হয় না সে ক্ষেত্রে সবাই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকেন, সর্বোপরি দেশের প্রথম সারির সিটিজেন থেকে শুরু করে, নীতি নির্ধারকসহ বহির্বিশ্ব থেকে অনেক রোগীরা এখান থেকে চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকেন। একটি কথা উল্লেখ্য যে, জনাব আসাদুজ্জামান জুয়েলের রাজনৈতিক গুরু অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান পিজি হাসপাতালেরই একজন অধ্যাপক্ষ ছিলেন।
জনাব জুয়েল আওমী ফ্যাসিস্ট নেতাদের ছত্রছায়ায়, কখনো বিএমএ আবার কখনো স্বাচীব নেতৃবৃন্দের সাথে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আওমীরাজনীতি করেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর একাধিক সংগঠনের পদ দখল করা থেকে শুরু করে, বিভিন্ন বিভাজন মূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। সেই ফ্যাসিস্ট সরকারের, সমর্থকারী আসাদুজ্জামান জুয়েল আবারো বাংলাদেশব্যাপী সস্তা জনপ্রিয়তা দেখিয়ে দেখিয়ে, নার্সদের মগজ ধোলাই করে নার্সদের সংগঠনকে আবারও জিম্মি করে রাখার চেষ্টা করেছেন। তাহার নামে একাধিক সংগঠন রয়েছে, যেমন ফ্লোরেন্স, ভূয়া নার্স, বিডিএনএ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ সহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনকে পরামর্শ দিয়ে একাধিক সংগঠন খুলিয়েছেন এবং সংগঠনের মধ্যেও দুই ভাগ করে দিয়েছেন যেমন স্বানাপ সংগঠনকে পাশাপাশি তাহার উদ্দেশ্য ঠিকই হাঁচিল করে গেছেন।
অন্যদিকে মহাসচিব পদপ্রার্থী জনাব সুজন মিয়া এখন পর্যন্ত কোন প্রার্থীর নামেই কখনো বাজে মন্তব্য করেনি। তবে হ্যাঁ ২০১৮ সালে জনাব. সুজন মিয়ার সরকারি চাকুরি হয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পোস্টিং হয়। কিন্তু সে সরকারি চাকুরিতে যোগদান করেনি, কারণ সে সময় তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পেশাগত অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন অব ন্যাবে’র মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলাম বর্তমানেও আছে । শুধুমাত্র তাহাট রাজনৈতিক স্বচ্ছতা আদর্শিকতা, ধরে রাখার জন্য কখনোই সে রাজনৈতিক আদর্শিকতা থেকে বিচ্যুতি হহনি যেটি নার্সিং নেতৃবৃন্দদের মধ্যে একেবারেই নেই বললে চলে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, যেটা এক সময় সরকারী প্রতিষ্ঠান ছিল বর্তমানে এটি স্বায়ত্ব্যশাসিত এবং দেশের সর্ববৃহৎ চিকিৎসা গবেষণাগার। যারা প্রকৃতপক্ষে সুশিক্ষায় শিক্ষিত, তারা অবশ্যই এটির মূল্যবোধ বুঝেন। তাই বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী নির্বাচনে মহাসচিব পদপ্রার্থীতে জনাব.সুজন মিয়া বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে, ফ্যাসিস্টদের দখলদারিত্ব্য দুরীকরণ করে বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশনকে নির্বাচনের মাধ্যমে সঠিকভাবে পুনর্গঠন করে সকল বিভাজন দূর করে, বাংলাদেশী নার্সিং পেশায় সিনিয়ারদের সঠিক সম্মান দিয়ে, পদোন্নতির সঠিক অর্গানোগ্রাম ক্যারিয়ার পাতসহ ডিপ্লোমা বেসিক এবং সর্বস্তরের বিভাজনের নিরসন ঘটিয়ে সমবন্টনের মাধ্যমে সঠিক ইকুয়ালিটি করে সবাইকে একটি প্লাটফর্মে নিয়ে আসাই তাহার লক্ষ। যাতে নার্সিং কর্মকর্তা ভাই-বোনেরা, এক যুগে বলতে পারেন আমার প্রথম আইডেন্টিটি আমি একজন নার্স।
তাই দেশের সর্বস্তরের নার্সিং কর্মকর্তা নার্সিং শিক্ষার্থী এবং সবার কাছে তিনি অনুরোধ অনুরোধ করেছেন মিথ্যা গুজবে যেনো তাকে ভুল না বুঝা হয়। যাতে নার্সিং পেশা দোসরদের হাতে গিয়ে পিছিয়ে না যায় ইনশাআল্লাহ। ডাক্তার সাহেবদের একমাত্র পেশাগত সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এর সভাপতি অথবা মহাসচিব কেউ একজন সবসময়ই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোনীত অথবা নির্বাচিত হন। তাই নার্সদের সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষে নার্সিং পেশার মানুষদের চিন্তা দ্বারার পরিবর্তন হওয়া উচিত। তাই নার্সিং নেতৃত্বে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মহাসচিব পদপ্রার্থীতে জনাব. সুজন মিয়া নির্বাচিত হলে অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে ডাক্তার সাহেবদের মতই প্রতিবাদী বলিষ্ঠ কন্ঠস্বরে অধিকার আদায়ের কথা বলে যাবে এবং সকল নার্সদের সহযোগিতা নিয়ে বাস্তবায়ন করতে সচেষ্ট ভুমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।
আর যারা তাকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তৃতা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের প্রতিও অনুরোধ জানিয়েছেন আপনারা ভাই এবার থামেন আওমীপন্থী ডাক্তাদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে চুপচাপ থাকেন অন্যাথায় আইনের আওতায় চলে আসতে পারেন।
দোসর, ফ্যাসিস্ট নিপাত যাক, জম্মি থেকে নার্সিং সংগঠন মুক্তিপাক নার্সিং পেশা এগিয়ে যাক।
