পাটগ্রাম লালমনিরহাট প্রতিনিধিরা:
দুর্নীতির আরেক নাম পৌর প্রশাসক জিল্লুর রহমান। এই চব্বিশের স্বাধীনতার পর থেকে সরকারি আমলারা বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতির মেলা বসে রেখেছেন, আসেন দিয়ে যান, নিয়ে যান,প্রতিটি ফাইল পাস করতে অনারিয়াম লাগে, সরকার বেতন দেয় না। যেমন ভূমি অফিসের খারিজ নামা টাকা ছাড়া সই হয় না, ইউএনও অফিসের যতগুলো ফাইল আছে সব গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বাসায় অনারিয়াম সহ ফাইল পাস করা হয়, পৌরসভার ফাইলগুলো বাসায় সই করা হয়, এ হলো ২৪ এর স্বাধীনতা, তাই ছাত্রসমাজ সহ সকল স্তরের মানুষের প্রয়োজন এই সকল কর্মকর্তারা বিগত দিনে দুর্নীতি করেছেন কিন্তু এখনো সমান তালে দুর্নীতি করে চলেছেন। তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা দরকার বলে সাধারন মানুষের অভিমত।
পাটগ্রাম উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ পৌরসভার (টিআর) প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ সময় অভিযোগ করা হয়, পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), দ্বায়িত্বরত পৌর প্রশাসক মোঃ জিল্লুর রহমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতিরা ভৌতিক প্রকল্প বানিয়ে বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ করছেন, বলে অভিযোগ উঠেছে,
অথচ সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এসব প্রকল্পের কোনো কাজই হয়নি। এমনকি কেউ জানেও না তাদের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে টিআরের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, একই নামের প্রতিষ্ঠানে ৫ প্রকল্পে ২৬,৪৭,৬৬০/= লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প সভাপতিরা একটিরও টাকা পায়নি,বলে আমাদেরকে জানান।
নাম মাত্র কাজ করে বিল উত্তোলন করেন। বিভিন্ন স্থানে সড়ক পরিদর্শন করে জানতে পারি এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও উপকন্ঠা ও প্রতিবাদ জানায়, তবে, তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিটি সেক্টরে প্রতিটি কাজে দুর্নীতির মহা উৎসব চলছে। তবে প্রতিটি কাজের এরিয়ার ভিতরে একটি করে বিলবোর্ড থাকার কথা সেটিও কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
➤পাটগ্রাম পৌরসভার বরাদ্দকৃত (টি আর) প্রকল্পের সভাপতি ও কাজের এরিয়া নিন্মে দেওয়া হল।
✔✔ প্রকল্প নং ০২/(৩য় পর্যায়),
আশা অফিস সংলগ্ন রাস্তায় মাটি ভরাট।
ঠিকানা: পাটগ্রাম পৌরসভা,
☞ বরাদ্দকৃত মোট টাকা-১,৩২,০০০/=
◑◑প্রকল্প সভাপতি:
মোঃ সাফিউল ইসলাম রিফাত (এলজিইডি কর্মকর্তা)।
এই কর্মকর্তা বলেন আমি শুধু প্রকল্প সভাপতি কিন্তু কাজের এবং বিল উত্তোলনে আমি কিছু্ই জানিনা, এই কর্মকর্তা বিভিন্ন স্থানে ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ ও রাস্তা মেরামত স্কুল মাদ্রাসা নির্মানে ব্যাপক দুর্নীতির সাথে জড়িত।
✔✔প্রকল্প: নং ০৩/(১ম ও ২য় পর্যায়),
পাটগ্রাম সরকারি কলেজ অভ্যান্তরে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বাতি স্থাপন,
ঠিকানা: পাটগ্রাম পৌরসভা,
☞বরাদ্দকৃত মোট টাকা-৩,৯০,০০০/=
◑◑প্রকল্প সভাপতি:
মোঃ হাবিবুর রহমান (প্রিন্সিপাল)।
তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তার বাজেট যতটুকু ছিল তার চেয়ে আর নিজস্ব কোষাগার থেকে কাজ সম্পাদন করেছেন বলে তিনি জানান,
✔✔প্রকল্প: নং ০৩/(৩য় পর্যায়),
বাইপাস সংলগ্ন শিবরাম স্কুলের রাস্তা মেরামত ও কোটতলী সরকারি প্রাথমিক,বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তা মেরামত ১২০ মিটার,
ঠিকানা: পাটগ্রাম পৌরসভা,
☞বরাদ্দকৃত মোট টাকা-১,৫০,০০০/=
◑◑প্রকল্প সভাপতি:
মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ খান
তিনি এখানে তিন গাড়ি বালু ও এক গাড়ি সুরকি দিয়ে সম্পূর্ণ রাস্তার কাজ সম্পাদন করেন,
✔✔প্রকল্প: নং ০৪/(১ম ও ২য় পর্যায়)
হাশেম মিয়ার মার্কেট হতে জব্বার হাজির দোকান পর্যন্ত সিসি দ্বারা রাস্তা উন্নয়ন ৪৫ মিটার।
ঠিকানা: পাটগ্রাম পৌরসভা,
☞বরাদ্দকৃত মোট টাকা-২,০৫,১১৪/=
◑◑প্রকল্প সভাপতি:
মোঃ আবুজ উদ্দিন (সমবায় অফিসার)।
✔✔প্রকল্প নং ৪/(৩য় পর্যায়),
মোসলেমার বাড়ির পূর্ব দিক হতে কাশেমের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত,
ঠিকানা: পাটগ্রাম পৌরসভা,
☞বরাদ্দকৃত মোট টাকা-১,৫০,০০০/=
◑◑প্রকল্প সভাপতি:
মোঃ সাফিউল ইসলাম রিফাত (এলজিইডি কর্মকর্তা)।
বরাদ্দ আছে কাজ নেই।
✔✔প্রকল্প নং ০৫/(১ম ও ২য় পর্যায়),
উপজেলা হাসপাতাল হতে বিআরডিবি অফিস পর্যন্ত সাইট সোল্ডারে মাটির কাজ ও ইটের খোয়া দ্বারা রাস্তার সংস্কার ৮৫ মিটার।
ঠিকানা: পাটগ্রাম পৌরসভা,
☞বরাদ্দকৃত মোট টাকা-৩,৯০,০০০/=
◑◑প্রকল্প সভাপতি:
মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ খান
তিনি কোন কাজই করেননি বলে এলাকাবাসী জানান।
✔✔প্রকল্প নং ০৫/(৩য় পর্যায়),
পাটগ্রাম পৌর অফিসের দরজা জানালা মেরামত ও সংস্কা,
ঠিকানা: পাটগ্রাম পৌরসভা
☞বরাদ্দকৃত মোট টাকা-২,৫০,০০০/=
◑◑প্রকল্প সভাপতি:
ড. দেবব্রত কুমার রায় (টি-এসসি)
কাজের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।
(অনুসন্ধান চলমান)
