গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ইজারা নিয়ে দ্বন্দ্বে গজারিয়া মেঘনা নদী ও সোনারগাঁ-চর কিশোরগঞ্জ নৌ রুটে ট্রলার চলাচল হঠাৎ করে বন্ধে বিপাকে পড়েছে যাত্রীরা।
সরেজমিন দেখা যায়, মঙ্গলবার (১জুলাই) সকাল থেকে এই রুটে ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকায় বিভিন্ন কাজে মুন্সীগঞ্জ সদরে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী বিপাকে পরে। অনেককে ঘাটে এসে ফিরে যেতে দেখা যায়। পরে স্থানীয় জন প্রতিনিধির হস্তক্ষেপে পরীক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ট্রলারের ব্যবস্থা করে তাদের পাঠানো হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সালেহ আহমেদ রাসেল বলেন, ট্রলার বন্ধ থাকায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা যেতে পারছে না এই খবর পেয়ে ঘাটে এসে আলাদা ট্রলারে ভাড়া করে তাদের ওপাড়ে পাঠিয়েছি। বিষয়টি জরুরী সমাধান হওয়া দরকার। এই মুহূর্তে গজারিয়াবাসী এই পথ দিয়েই জেলা সদরে যাতায়াত করে।
জানা যায়, দীর্ঘ বছর ধরে নদীর গজারিয়া অংশের ট্রলার ঘাটের ইজারা দিয়ে আসছে গজারিয়া উপজেলা প্রশাসন। অন্যদিকে ঐপাড় চর কিশোরগঞ্জ অংশে ট্রলার ঘাট ইজারা দেয় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন। অন্যদিকে নদীর গজারিয়া অংশে থাকা লঞ্চঘাটটি ইজারা দেয় বিআইডব্লিউটিএ। তবে এই ১ জুলাই থেকে চর কিশোরগঞ্জ ট্রলার ঘাটটি ইজারা দেয় বিআইডব্লিউটিএ। এদিকে চর কিশোরগঞ্জ ঘাটের ইজারাদার নদীর দুইপাশের ট্রলার ঘাট থেকে ইজারা তোলার ঘোষণা দিলে বিষয়টি নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে গজারিয়া অংশের ট্রলার ঘাটের ইজারাদার রিপন মুন্সী বলেন, আমি গজারিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার। উপজেলা উপজেলা প্রশাসনকে ইজারা মূল্য পরিশোধ করে আমি পহেলা বৈশাখ থেকে চৈত্র মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত ইজারা পেয়েছি। কিন্তু সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএ থেকে নদীর চর কিশোরগঞ্জ ঘাট ইজারা পেয়ে একজন নদীর দুই পাড় থেকে টাকা তোলার কথা বলছে। ইতোমধ্যে তার কয়েকজন লোক আমাদের হুমকি দিয়ে গেছে,বিষয়টি নিয়ে আমি আতঙ্কিত,তাৎক্ষণিক ভাবে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রলার চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে দুই পক্ষকে নিয়ে বসছি,সমাধান হয়ে যাবে।
