৫২
নাফিজ ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধ:
মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও অদুদ ক্ষমতার উৎস কোথায় নিয়োগ-বাণিজ্য বদলীসহ নানান অভিযোগ থাকার পরেও কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
অনুসন্ধানীকে দেখা যায় এই কর্মকর্তা আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে গত ১৭ বছর ধরে একই শাখায় কর্মরত নিয়োগ বানিজ্য বদলি উৎকর গ্রহণসহ নানান অভিযোগে আক্রান্ত এই অনুন ২৯/৬/২০১৫ইং মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মোঃআব্দুল অদুদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর। তাৎক্ষণিক অবমুক্ত করা হলেও কোন অদৃশ্য শক্তির আলোকে এই আদেশ মানা হয়নি অদ্যবধি। আরো অনুসন্ধানী দেখা যায় উক্ত অভিযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক নাইমা গং সহ তাদের রয়েছে একাদিক চক্র সমগ্র বাংলাদেশে প্রত্যেকটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনস্থ শাখা গুলো থেকে নেওয়া হয়েছে উৎকর্ষ কার নিকট
পরিচালক নাইমা হোসেন (অতি। ওয়িত্ব)
পাঁচ থেকে পনের হাজার টাকা পর্যন্ত সেখানে দেখা যায় কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে এমন ভুক্তভোগী অনেকেই প্রতিবেদকের নিকট এমম অভিযোগ করে।
এক চাঞ্চল্যকর তথ্যে দেখা যায় ১৭ বছর নিকৃষ্ট দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সেলাই মেশিনসহ যাবতীয় মালামাল সরবহন করার টেন্ডার দেয় এই অদুদ। আরো জানাজায় বদলী, নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ পাহাড় গড়ে তুলেছেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে তার একাধিক অভিযোগ দাখিল করা হলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্হা গ্রহন করেনি। এমনকি ২৯/৬/২৫ ইং উপ সচিব সাবিনা ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ৬/৭/২৫ হতে স্ট্যান্ড রিলিজড করা হলেও মহিলা অধিদপ্তরের পরিচালক নাইমা হোসেনসহ (মহাপরিচালকের অতি: দায়িত্বে) ফ্যাসিষ্ট একাধিক কর্মকর্তার আশ্রয় প্রশ্রয়ে তা হচ্ছে না। দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দপ্তরের একাধিক লিখিত অভিযোগ থেকে জানা
যায়, স্বৈরাচারী সরকারের দোসর সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল ওদুদ গত১৯৯৮ সালে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহিলা উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্যাদি সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পে যোগদান করেন। জনবলসহ প্রকল্পটি রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত হয়। ২০০৭ সালে আব্দুল অদুদ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে পদায়িত হন। ২০২১ সালের অক্টোবরে তিনি প্রশাসন-১ শাখায় সহঃ পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি নেন।২ জুলাই তাকে পরীবিক্ষন, সমন্বয় ও সচেতন শাখা এবং সংসদ বিষয়ক কার্যক্রমের দায়িত্ব দেয়া হয় কিন্তু আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী মন্ত্রীর তদবিরে ৩ মাসের মাথায় গত ২ অক্টোবর আব্দুল অনুদ প্রশাসন-১ শাখায় ফিরে যান। অভিযোগ রয়েছে। সাবেক ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘ ১৭ বছর গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দায়িত্ব পালন করায় খমতার বিস্তার করেছেন অদুদ। একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে তুলে অবৈধ আয়ের রাস্তা পাকাপোক্ত করেছেন। এ চক্রে আছেন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা শামীম আহসান। বর্তমান পরিচালক নাইমা হোসেন তাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে। জেলা উপজেলায় কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলি, নিয়োগ, টেন্ডার বাণিজ্য, আউটসো র্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যেসহ বিস্তর অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে। ২/৩ টি চিনিহত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন মালামাল সাপ্লাই দিচ্ছে। এ ঠিকাদারদের সঙ্গে ব্যবসায় অংশীদারিত্ব রয়েছে অদুদের। সম্প্রতি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড দিতে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত প্রকল্পের ১৩০০ কর্মকর্তা কর্মচারীর কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা আদায় করেছেন অদুদ- শামীম চক্র। অভিযোগে আরো জানা যায়, রাজধানীর শান্তিবাগের নূর মসজিদ রোডের রাজিব রোকেয়া টাওয়ারে ১ টি ও আফতাবনগরে ১ টি ফ্ল্যাট রয়েছে অদুদের। এছাড়া আরশিনগর আবাসিক প্রকল্পে দুই মেয়ের নামে ১০ কাঠা জমি কিনেছেন। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বরুড়ার মোল্লা বাড়িতে ৩ কোটি টাকায় আলিশান বাড়ি নির্মাণ করেছেন এই সহকারি পরিচালক অদুদ। এ ব্যাপারে আব্দুল অদুদের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ভবে এ বিষয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক হোসেনকে অতিঃদাঃ) তার ব্যবহারিত সরকারি মোবাইল ফোন শেষ ৭৩৮ নাম্বারে প্রতিবেদক জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে দেন।
