ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক –
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিএনজি চালকরা প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কমিটি ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের কাছে নানা কায়দায় চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছেন—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে পুলিশের হয়রানি, অতিরিক্ত জরিমানা ও লাইসেন্স জটিলতা। ফলে চালকদের একদিকে গ্যাসের বাড়তি খরচ, অন্যদিকে চাঁদার বোঝা—সব মিলিয়ে তারা বাধ্য হচ্ছেন যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নিতে।
এক চালক ক্ষোভ ঝেড়ে বলেন, “গাড়ি চালানোর আগে প্রতিদিনই বিভিন্ন কমিটির নামে টাকা দিতে হয়। তারপর ট্রাফিক পুলিশের বাড়তি চাঁদা, গাড়ি গ্যাস মেরামতের খরচ—সব মেটাতে যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া না নিলে সংসারই চলে না।”
এই পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি চলাচল বন্ধের ঘোষণার পর সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছে—
“এভাবে চলতে পারে না! সিএনজি বয়কট করে মিনিবাস ও ট্যাক্সি চালু করতে হবে। তবেই চালক-যাত্রী উভয়ের সমস্যার সমাধান হবে।”
বিশ্লেষকরা মনে করেন, সিএনজি চালকদের এই আন্দোলন কেবল ভাড়া বৃদ্ধির বিষয় নয়; এটি একটি দীর্ঘদিনের শোষণ, চাঁদাবাজি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তবে তারা সতর্ক করে বলেন—“বয়কটের আগে বিকল্প পরিবহনের সঠিক ব্যবস্থা করতে হবে। নয়তো যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত উদ্যোগ নেবে যাতে—
✅ চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধ হয়
✅ সিএনজি চালকদের জন্য ন্যায্য ব্যবস্থা হয়
✅ মিনিবাস ও ট্যাক্সির মতো বিকল্প পরিবহন চালু হয়
সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া না এলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই “সিএনজি বয়কট করে সড়ক সংস্কার করো” শিরোনামে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
