হাফিজুর রহমান: ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, “দেশ ও জনগণের কল্যাণ সাধনের মধ্য দিয়েই সদস্য প্রকৌশলীদের প্রকৃত কল্যাণ নিহিত— আর সেটিই আইডিইবি’র মূল লক্ষ্য।”
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের স্বাগত জানান এবং তাঁদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ ও বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার, কৃষিজমি ও নদনদী রক্ষা, টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইডিইবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তাঁরা জানান, প্রতি বছর গণপ্রকৌশল দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয় প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্য সামনে রেখে। আইডিইবি প্রস্তাবিত বহু কর্মসূচি ইতোমধ্যে জাতীয়ভাবে গৃহীত হয়েছে, যার সুফল জনগণ ভোগ করছে।
বক্তারা সাংবাদিক সমাজের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, আইডিইবি’র কর্মকাণ্ড প্রচার ও জনমত গঠনে গণমাধ্যম সবসময় সহযাত্রী ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালের ৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দিনটি সারাদেশে গণপ্রকৌশল দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে সদস্য সচিব প্রকৌশলী কাজী সাখাওয়াত হোসেন ও আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
