বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নতুন
বাংলাদেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের বিকল্প
নেই। প্রযুক্তির সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জ্ঞানকে সমন্বয় করে জনসংখ্যাকে
জনসম্পদে রূপান্তরে ব্যর্থ হলে জাতীয় উন্নয়নই স্থায়িত্ব পাবে না। বিএনপি’র
সরকার গঠন করতে পারলে গ্রামীণ ভিত্তিক কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেবে, তখন
কাউকে কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে আসতে হবে না। বিএনপি
সরকার গঠনের এক বছরের মধ্যে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে
উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর জন্য আইটি সেক্টর, কলসেন্টার, নার্সিং, প্রচলিত
কুটির শিল্প আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে এবং সংশ্লিষ্টদের সহজ শর্তে ঋণ
দেয়া হবে। যাতে তাদের তৈরি পণ্য ব্র্যান্ডিং পায়।
সেবাগ্রহীতাদের সরকারি দপ্তরে ধরনা দেয়ার অর্থ হল হয়রানি ও দুর্নীতি উল্লেখ
করে তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সেবার সুযোগ জনগণের নিকট পৌঁছে
দেয়া হবে। এতে অর্থ ও সময়ের অপচয় কমে আসবে। প্রধান অতিথি বলেন, ঢাকায়
বসে নয় জনগণের রায় নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি গ্রহণ করতে হবে। জনগণের
মালিকানা জনগণের নিকট পৌঁছে দেয়াই বিএনপি’র মূল লক্ষ্য। বিএনপি ক্ষমতায়
আসলে কোন মেগাপ্রকল্প নেয়া হবে না। জাতীয় বাজেটের ৫ শতাংশ শিক্ষা ও
স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় করা হবে।
আজ ১১ নভেম্বর বিকালে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠা দিবস
উপলক্ষ্যে “দক্ষ জনশক্তি-দেশগঠনের মূল ভিত্তি” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন।
আইডিইবি’র কেন্দ্রীয় আহŸায়ক প্রকৌশলী মোঃ কবীর হোসেনের
সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এলডিপি’র মহাসচিব ড. রেদোয়ান
আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল
মাহবুব জোবায়ের গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, এবি পার্টির
চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভ’ঁইয়া মঞ্জু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর যুগ্ম
মহাসচিব প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব
প্রকৌশলী কাজী সাখাওয়াত হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইডিইবি
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল আজিজ।
