ঢাকা :মাঠপর্যায়ে কর্মরত ভূমি কর্মকর্তাদের মধ্যে স্বচ্ছতা,দেশ প্রেম,ও সততা এবং পেশাদারিত্বেরে মাধ্যমে ভূমি খাতে জনবান্ধব করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে ভূমিসেবা প্রদানের সাথে নিযুক্ত সহকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মনিটরিং করতে হবে,অসততার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো কাজের জন্য উপরস্থ থেকে সুপারিশ আসলে দ্রুত হয়ে যায় তবে সাধারন মানুষ কোনো সেই দ্রুত সেবা পাবে না,এসব অসংগতি পরিহার করতে হবে।
তিনি বলেন;বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে ভূমিখাতের গুরুত্ব অপরিসীম। ভূমি শুধু উৎপাদনের প্রধান উপকরণ নয়, এটি নাগরিকের অধিকার, জীবিকা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ভূমিখাতে সুশাসনের অভাব ও স্বচ্ছতার ঘাটতির কারণে জনগণ ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছে। তাই ভূমিখাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা আজ সময়ের দাবি। এই দাবির প্রেক্ষিতে সরকার ভূমি প্রশাসনের ডিজিটাল রূপান্তর করেছে,এখন ভূমির সকল সেবাই অনলাইনে ঘড়ে বসে পাওয়া যাচ্ছে। এতে সময় অর্থ ভোগান্তির কমছে। এখন প্রয়োজন সেবাগ্রহিতা পর্যায়ে সচেতনতা ।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) গণ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নির্বাচন পরিচালনায় একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তাঁরা কেবল ভূমি প্রশাসনের দায়িত্বে নিয়োজিত নন, বরং নির্বাচনের সময় তাঁরা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে থাকেন। ৫ আগষ্টের পরে নতুন বাংলাদেশ পুরাতন সকল জীর্ণতা ভুলে সামনে এগোতে হবে নতুন এক বাংলাদেশ বির্নীমানে। সামনে নির্বাচন নতুন আশা নতুন প্রত্যয় তাই এমন এক নির্বাচন উপহার দিতে হবে আপামর জনগণ যেনো সেই নির্বাচনে নির্ভিগ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে;বলেন ভূমি উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান। বিষয় ভিত্তিক আলোচনা করেন টিআইবির পরিচালক-সিভিক এনগেজমেন্ট ফারহানা ফেরদৌস,প্রফেসর ড.সুরাইয়া খায়ের,উপদেষ্টা-নির্বাহী ব্যবস্থাপনা,টিআইবি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: এমদাদুল হক চৌধুরী।
