জাহিদুল আলম :
রাজধানীর মুগদা থানায় সাজানো একটি চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেফতার হয়ে এখন জেল হাজতে আছে ফরিদগঞ্জ থানার খোকন শেখ। মামলা নাও ৩২০, তারিখ ১৩ ই নভেম্বর ২০২৫। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মামলাটি দায়ের করেছে আরিফ নামে এক ব্যক্তি। গ্রীন মডেল টাউনের এ ব্লকের ১৬ নম্বর রোডে ৮ নম্বর বাড়ির মালিক নয়ন। চাঁদাবাজির মামলাটি দায়ের করা আরিফ নয়নের ভাগ্নি জামাই। জেলে থাকা আসামি এবং নয়ন ও আরিফ উভয়েই চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ এলাকার অধিবাসী।
জানাযায় নয়ন ও খোকন শেখ এর পরিবারের মাঝে ঝামেলা চলছিল। বিগত সময়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ও চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় দুই পরিবারের মাঝে একটি সমঝোতা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে জুয়েল শেখ দেশের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। এই তথ্য জেনে জুয়েল শেখ এর পরিবারকে শায়েস্তা করার মানসিকতা থেকে মুক্তার বাড়িতে চাঁদাবাজির মিথ্যে মামলা সাজায় নয়নের পরামর্শে জামাই হার। তাদের পরিকল্পিত সাজানো মামলায় ঢাকায় না এসেও চাঁদাবাজিতে আসামি হয়ে যায় খোকন শেখ। কিছু জানার আগেই কিছু জানার আগেই গ্রেপ্তার হল খোকন শেখ। মামলার অপার আসামি করা হয় খোকন শেখের বড় ভাইকে।একটি মীমাংসিত পারিবারিক ঘটনাকে ভিন্ন আঙ্গিক দিতে নীল নকশা আগে নয়ন।জানা যায় নয়ন একজন আদম ব্যবসায়ী। সেই সাথে ফ্যাসিস্ট দোসর সে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন পল্টনের চায়না টাউনে ওভারসিজ ব্যবসা খুলে হিসেবে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে নয়ন। জড়িয়ে পড়ে তৎকালীন সম্রাট সিন্ডিকেট। চাঁদাবাজির টাকায় ঢাকা সহ এলাকায় গড়ে তোলে বহু সম্পদ। এখনো টাকার জোরে ধরা কে সরা জ্ঞান করে চলছে এই নয়ন। তারই নীল নকশায় যেন মামলায় এখন জেলে অতি সাধারণ খোকন শেখ
এই ঘটনায় ফরিদগঞ্জ এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে আইন অঙ্গনের সাথে জড়িতরা বলছে
সাজানো মিথ্যে মামলায় জেল হাজতে খোকন সেখ: ফরিদগঞ্জের ক্ষোভ
১২
