সফিউর রহমান সফিক #
তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে এ অবস্থিত খিলগাঁও সাব – রেজিস্ট্রার কার্যালয়টি বর্তমানে ঘুষ, দুর্নীতি নানার অনিয়ম ও অপকর্মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে । খিলগাঁও এর সাব রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ স্বয়ং তার কর্মস্থলের কয়েক জনকে নিয়ে এসব অপকর্মের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বলে এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ও বিভিন্ন সময়ে এই সাব- রেজিস্ট্রারের নানান অনিয়ম , দুর্নীতি, অপকর্মসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড এবং অবৈধ সম্পদের বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্রে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় দিন দিন বেড়েই চলছে সাব রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লার অনিয়ম, দুর্নীতি , অপকর্মের পরিধি! এদিকে বিভিন্ন সূত্রে অনুসন্ধানে জানা গেছে উক্ত সাব- রেজিস্ট্রার ওমেদার শাহিন , বস্তির ছেলে রাসেল ও পেশকার সহ কয়েকজনের মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে ২৪ ঘন্টা জমির দলিল রেজিস্ট্রি করা হবে এই বলে মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লার রাতের আঁধারে তার অফিসে তালা ঝুলিয়ে ভিতরে গভীর রাতে দলিল রেজিস্ট্রেশ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উক্ত সাব – রেজিস্টার এর বিরুদ্ধে।বস্থির ছেলে রাসেলের মাধ্যমে সাব রেজিস্টার টাকা নিচ্ছে প্রতিনিয়ত । বস্তি র ছেলে রাসেলের আফতাবনগর এর সাততলা বাড়ি । রাতের আঁধারে দলিল রেজিস্ট্রেশনের ও তার বিভিন্ন অপকর্ম ও অনিয়মের বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর নির্দেশই এ কাজ করছেন বলে জানান তিনি আরো বলেন পত্রিকায় লিখে যা পারেন করেন, এই কথা বলে ফোন রেখে দেন । এদিকে আরও জানা গেছে খিলগাও সাব। রেজিস্ট্রার অফিসে টাকা ছাড়া কোন ফাইলে ও দলিল রেজিস্ট্রেশনে সই করেন না সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ। একাধিক ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে । এছাড়া জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সম্প্রতি একাধিক দলিল রেজিস্ট্রেশন করার অভিযোগ উঠেছে মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে। এতে সরকারের মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে । খিলগাঁও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে অহরহ ঘটছে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে রেজিস্ট্রেশন করার অবৈধ কর্মকান্ড। ওমেদার শাহিন ও পেশকারের মাধ্যমে মোটা অংকের ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রার নিয়ম বহির্ভূতভাবে জাল জালিয়াতি, অবৈধ কর্মকাণ্ড করে খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিস কে বানিয়েছে দুর্নীতির মহা আখড়া। ঘুষ দুর্নীতি নানার অনিয়ম অপকর্ম করে খিলগাঁয়ের সাব- রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ থেকে হয়েছেন বটগাছ, তিনি এখন কোটি কোটি টাকা ও বিপুল সম্পদের মালিক নামে বে-নামে রয়েছে গাড়ি-বাড়ি, জমি ও ব্যাংক ব্যালেন্স। এর সাথে সাব রেজিস্ট্রার সংগঠনের নেতার পথ ভাগিয়ে দিয়ে ধরাকে সরা করছেন তিনি। তার অফিসের ৬০ টাকা বেতনের ওমেদার শাহীন এবং পেশকার ঘুষ, দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড করে কোটি কোটি টাকা ও বিপুল সম্পদের মালিক। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ওমেদার শাহিন । দীর্ঘদিন যাবত সাব রেজিস্ট্রার অফিসকে অপরাধীদের আখড়ায় পরিণত করে লোকজনকে জিম্মি করে জাল- জালিয়াতি ও অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে নিজের পকেটে ভরছেন কোটি কোটি টাকা। খিলগাঁ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ওপেন লেনদেন হচ্ছে ঘুষের টাকা। অন্যদিকে তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের উত্তরা সাব – রেজিস্ট্রারের অফিসার দেখা গেছে একই চিত্র । ওমেদার ,পেশকার, নকল নবীশ চক্র উত্তরা সাব রেজিস্ট্রার অফিসকে পুঁজি করে বহুদিন যাবৎ করছে নানান দুর্নীতি ,অনিয়ম, অপকর্ম এমন অভিযোগ বহুদিন থেকে। নানান অনিয়ম, দুর্নীতি করে ওমেদার, নকল নবিশ, পেশকাররা কোটি কোটি টাকা ও বিপুল সম্পদের মালিক। সেবা নিতে আগত ব্যক্তিরা এই চক্রের কাছে হয়রানির শিকার হয়ে আসছে বছরের পর বছর। এই বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন সহ ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন বিভিন্ন মহল।
