৪৬
নেয়ামুল হক মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি : মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায় ইউপি সচিব হযরত আলী ২০২৪ -২৫ অর্থবছরে ১% ভূমি হস্তান্তর করার আওতায় ৭টি প্রকল্প স্মারক নং ৪৬, ৩০, ৫৯ ২৪, ৭৩- ২০২৪- ২০২৫ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে।
প্রকল্পগুলি সরজমিনে পরিদর্শনে গেলে জানা যায়। সাবেক ইউপি সচিব হযরত আলীর একান্ত্ লোকজন দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ, স্বেচ্ছাচারিতা ও ভুয়া বিল ভাউচার, রেজুলেশন এর মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ছিল তার এক ধরনের কাজ।
এডিপি বা অন্যান্য প্রকল্পের অর্থ ছাড়ে ঘুষ লেনদেন ও নিম্নমানের কাজ করানো, বরাদ্দকৃত অর্থ নয় ছয় করা, জন্ম মৃত্যুর সনদ প্রদানে অতিরিক্ত ফ্রি আদায় এবং প্রশাসনিক কাজে দুর্নীতি ও জবাবদিহিতার কোন লেশমাত্র দেখা যায়নি।
জানা যায় ২৭ থেকে ২৮ বছর পূর্বে গোয়াগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পদে যোগদান করে চলতি আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখে অবসরে চলে যান।
স্থানীয় সরকারের অধীনে চাকুরী থাকায় দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারদের সাথে সম্পর্ক করে একই উপজেলায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করে এই সাবেক ইউপি সচিব।
অন্যান্য ইউনিয়নে যেমন গজারিয়া ইউপি সচিব মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় ইউপি সদস্যদের সাথে যোগসূত্রে বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। ঐ সময় গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুরনীতির সংবাদ প্রচার হলে ভারপ্রাপ্ত সচিব হযরত আলীর সম্পৃক্ততা প্রকাশ পায়।
ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান আমি যোগদান করেছি ২০২৫ আগস্ট মাসে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে আমার পূর্বের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হযরত আলীর সময়। এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।
সাবেক ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা হযরত আলীর সাথে যোগাযোগ করলে জানান প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেকটাই অনিয়ম হয়েছে তবে ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খান জিতুর সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার উপপরিচালক মৌসুমী মাহবুব এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার পরেও তাকে পাওয়া যায়নি।
