[location_search]
সম্পূর্ণ নিউজ ভোরের বাংলাদেশ

প্রচ্ছদ
১২:০৭ অপরাহ্ণ, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

গোপালপুরে মরণফাঁদ বৈরাণ সেতু: প্রকল্প ফাইলবন্দী, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

মো. সেলিম হোসেন, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌর শহরের বৈরাণ নদের ওপর নির্মিত হাটবৈরাণ সেতুটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এলজিইডি সেতুটিকে অনেক আগেই ‘বিপজ্জনক’ ঘোষণা করলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। সংস্কার বা নতুন সেতু নির্মাণের ফাইল দুই বছর ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বন্দী থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন এই জীর্ণ সেতু দিয়ে […]

গোপালপুরে মরণফাঁদ বৈরাণ সেতু: প্রকল্প ফাইলবন্দী, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার
২ মিনিটে পড়ুন |

মো. সেলিম হোসেন, গোপালপুর (টাঙ্গাইল)
টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌর শহরের বৈরাণ নদের ওপর নির্মিত
হাটবৈরাণ সেতুটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
এলজিইডি সেতুটিকে অনেক আগেই ‘বিপজ্জনক’ ঘোষণা
করলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। সংস্কার বা নতুন সেতু
নির্মাণের ফাইল দুই বছর ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বন্দী থাকায় ক্ষোভ
বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে
প্রতিদিন এই জীর্ণ সেতু দিয়ে পারাপার হচ্ছে হাজারো
মানুষ ও যানবাহন।

পৌরসভা কার্যালয় স‚ত্রে জানা যায়, নব্বইয়ের দশকে পৌর
ফান্ডের টাকায় বৈরাণ নদের ওপর দুটি সেতু নির্মিত হয়েছিল।
এর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নদী খনন করলে
পশ্চিম পাশের সেতুটির পিলার আলগা হয়ে সেটি নদে ধসে পড়ে।
এরপর থেকে পূর্ব পাশের এই সেতুটির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর দুই পাশের রেলিং ভেঙে গেছে,
পাটাতনে বড় বড় গর্ত। বিম ও উইং ওয়ালে বড় ফাটল ধরায়
যেকোনো সময় এটি ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মাঝারি কোনো যানবাহন উঠলেই পুরো সেতু কাঁপতে শুরু
করে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদক
আমিনুল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, ‘শহরবাসী ছাড়াও
ধোপাকান্দি ও নগদাশিমলা ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষ এই
সেতু দিয়ে চলাচল করে। পণ্য পরিবহনে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের চরম
ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন হাতে প্রাণ
নিয়ে পারাপার হয়।’
সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার
জাহাঙ্গীর আলম রুবেল বলেন, ‘যেকোনো সময় বড় ধরনের
দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা দ্রæত এই জীর্ণ সেতু ভেঙে
নতুন আরসিসি সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’

গোপালপুর এলজিইডি অফিস জানায়, ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫০
মিটার চেইনের একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য ৩২ লাখ
টাকার প্রাক্কলন, নকশা ও ড্রয়িং ২০২২ সালেই প্রধান কার্যালয়ে
পাঠানো হয়েছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে প্রকল্পের বরাদ্দ মিলছে না।

এ বিষয়ে এলজিইডির সদর দপ্তরের ‘ঘ‚র্ণিঝড় ও বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্প’ অফিস থেকে
জানানো হয়েছে, বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে সামনের দিনে এই
সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হতে পারে। তবে ঠিক কবে নাগাদ
বাজেট মিলবে, তার কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

 

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
আরও ভোরের বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

সর্বশেষ