নিজস্ব সংবাদদাতা, গোয়াইনঘাট:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ১২টি কেন্দ্রে একযোগে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, মোট ২ হাজার ৫১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ছিল ৪৩ জন। এর মধ্যে এসএসসিতে ২৮ জন এবং দাখিলে ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।
মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা সুশৃঙ্খল ও নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশে পরীক্ষা দিচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়, যা পুরো পরিবেশকে আরও নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ রাখতে সহায়ক হয়েছে।
এদিকে, পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর ফারুক এবং গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী জানান, পরীক্ষাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকল ধরনের প্রস্তুতি ও নির্দেশনা আগে থেকেই দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাকি পরীক্ষাগুলোও একইভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।
গোয়াইনঘাটে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
নিজস্ব সংবাদদাতা, গোয়াইনঘাট:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বজ্রপাতে তপন দাস পাপলু (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার তেলিখাল বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তপন দাস পাপলু উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কামাইদ গ্রামের বাসিন্দা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, সোমবার রাতে ডৌবাড়ী এলাকায় বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে মরদেহ সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ছবি ক্যাপশনঃ পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
