[location_search]
সম্পূর্ণ নিউজ ভোরের বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক
৮:১৪ অপরাহ্ণ, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধের চাপে মন্ত্রিসভায় ‘বড় রদবদলের কথা ভাবছেন’ ট্রাম্প

ভোরের বাংলাদেশ ডেস্ক:বন্ডিকে বরখাস্ত করার পর এবার নিজের মন্ত্রিসভায় আরও বড় ধরনের রদবদলের কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধের নেতিবাচক রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান বিরক্তিই এই সম্ভাব্য রদবদলের মূল কারণ। হোয়াইট হাউজের অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে অবগত পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে এমনটি জানিয়েছে। পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা এই যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির […]

ইরান যুদ্ধের চাপে মন্ত্রিসভায় ‘বড় রদবদলের কথা ভাবছেন’ ট্রাম্প
৩ মিনিটে পড়ুন |

ভোরের বাংলাদেশ ডেস্ক:বন্ডিকে বরখাস্ত করার পর এবার নিজের মন্ত্রিসভায় আরও বড় ধরনের রদবদলের কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধের নেতিবাচক রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান বিরক্তিই এই সম্ভাব্য রদবদলের মূল কারণ।

হোয়াইট হাউজের অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে অবগত পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে এমনটি জানিয়েছে।

পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা এই যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে, যার ফলে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা যেমন কমছে, তেমনি আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ক্যাবিনেটে পরিবর্তন এনে হোয়াইট হাউজের ভাবমূর্তিতে একটি ‘রিসেট’ বা নতুনত্ব আনতে চাইছেন ট্রাম্প।

বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ট্রাম্পের টেলিভিশন ভাষণটি আশানুরূপ প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রশাসনে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালো হয়েছে। হোয়াইট হাউজের একজন কর্মকর্তা বলেন, “পদক্ষেপ নেওয়ার প্রমাণ হিসেবে বড় কোনো রদবদল করা কি খারাপ কিছু?”

কারা আছেন ঝুঁকিতে?

সূত্রগুলো জানায়, পাম বন্ডি এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমকে অপসারণের পর এখন ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স তুলসি গ্যাবার্ড এবং কমার্স সেক্রেটারি হাওয়ার্ড লুটনিকের ভাগ্য সুতোয় ঝুলছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে গ্যাবার্ডের ওপর ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং তার বিকল্প কে হতে পারেন তা নিয়ে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন।

অন্যদিকে, হাওয়ার্ড লুটনিকের বিরুদ্ধে প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে পুরনো সম্পর্কের বিষয়টি নতুন করে সামনে আসায় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের একটি অংশ তাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। ২০১২ সালে এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে লুটনিকের দুপুরের খাবার খাওয়ার তথ্য ফাঁস হওয়ার পর এই বিতর্ক শুরু হয়।

যদিও হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গল দাবি করেছেন, ট্রাম্পের তার মন্ত্রিসভার ওপর ‘পূর্ণ আস্থা’ রয়েছে। তিনি গ্যাবার্ড এবং লুটনিকের বিভিন্ন সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বরখাস্তের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন।

ভাষণের ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক সংকট

বুধবারের ভাষণে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের কোনো সুনির্দিষ্ট সমাপ্তি বা প্রস্থানের পথ দেখাতে পারেননি। বরং অর্থনৈতিক সংকটের জন্য তেহরানকে দায়ী করে তিনি বলেছেন, এই কষ্ট হবে ক্ষণস্থায়ী।

কিন্তু বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জরিপ সংস্থা ইপসোস-এর সর্বশেষ জরিপ বলছে, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন এই মেয়াদের সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশে নেমে এসেছে। প্রায় ৬০ শতাংশ আমেরিকান ইরান যুদ্ধের বিপক্ষে মত দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা বলছেন, ভোটাররা আদর্শিক কথাবার্তা মেনে নিলেও তেলের দামের প্রভাব সরাসরি নিজেদের পকেটে অনুভব করেন। ট্রাম্প মনে করছেন, মিডিয়া এই যুদ্ধের বিষয়ে নেতিবাচক খবর প্রচার করছে, যা তাকে চরম হতাশ করে তুলেছে।

 

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, তিনি খুব ঘন ঘন মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন করে প্রশাসনে বিশৃঙ্খলার ছাপ দিতে চান না। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের বেশ আগেই বড় পরিবর্তনগুলো সেরে ফেলতে চাইছেন তিনি। হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তার ভাষায় সুনির্দিষ্ট কিছু পদে ‘পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা এখন প্রবল’।

আরেকজন কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেছেন, “আমি যা শুনেছি, তাতে এটুকু বলতে পারি, পাম বন্ডিই শেষ ব্যক্তি নন যাকে বিদায় নিতে হচ্ছে।”

 

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
আরও ভোরের বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com