শাপলা আক্তার নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিকে পাশ কাটিয়ে শুধুমাত্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৭–৮শ কর্মচারীর জন্য ২০% বিশেষ ভাতা প্রদানের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন দফতরে কর্মরত মাঠ পর্যায়ের সরকারী কর্মচারীরা। এ নিয়ে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে কড়া অবস্থান প্রকাশ করেছেন গণপূর্ত শ্রমিক কর্মচারি ইউনিয়ন, কুমিল্লা জেলার সহ-সভাপতি মো. আলাউদ্দিন রিয়াজ। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “সচিবালয়ের […]
শাপলা আক্তার
নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিকে পাশ কাটিয়ে শুধুমাত্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৭–৮শ কর্মচারীর জন্য ২০% বিশেষ ভাতা প্রদানের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন দফতরে কর্মরত মাঠ পর্যায়ের সরকারী কর্মচারীরা। এ নিয়ে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে কড়া অবস্থান প্রকাশ করেছেন গণপূর্ত শ্রমিক কর্মচারি ইউনিয়ন, কুমিল্লা জেলার সহ-সভাপতি মো. আলাউদ্দিন রিয়াজ।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন,
“সচিবালয়ের লোকজনদের এত খিদে কেন? তারা মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের তুলনায় অনেক ভালোভাবে জীবনযাপন করছেন। অথচ যে কোনো অনিয়মের খবর এলে তুলে ধরা হয় ‘সরকারি চাকরিজীবী’—এর দায় এসে পড়ে আমাদের ওপর। সচিবালয়ের কয়েকশ’ কর্মচারীর সুবিধার জন্য লাখ লাখ মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীর ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সচিবালয়ের কিছু কর্মচারীর বিভিন্ন অনিয়মের কারণে দেশের সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে, এর দায় তারা নেন না, বরং ভোগ করেন মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীরাই।
আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরলেন আলাউদ্দিন রিয়াজ
বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করলে মো. আলাউদ্দিন রিয়াজ বলেন—
“এই পে–স্কেলের জন্য আন্দোলন আমার নতুন না। ২০১৯ সালে আমি খাগড়াছড়িতে কর্মরত থাকা অবস্থায় ১১–২০ গ্রেডের কর্মচারীদের ‘সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরাম’-এর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। তখন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি দিয়েছিলাম, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।”
তিনি আরও বলেন—
“নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আমাদের বছরের পর বছর লড়াই–সংগ্রাম। অথচ আজ সচিবালয়ের মাত্র ৬–৭শ কর্মচারীর সুবিধার জন্য সেই সব আন্দোলনের অর্জন শূন্যের কোঠায় নেমে যাচ্ছে। এটা মেনে নেওয়ার মতো নয়।”
বর্তমানে আলাউদ্দিন রিয়াজ গণপূর্ত শ্রমিক কর্মচারি ইউনিয়ন, কুমিল্লা জেলার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।