খায়রুল খন্দকার টাঙ্গাইল :দীর্ঘদিনের ঝুঁকির অবসান ঘটিয়ে অবশেষে অপসারণ করা হয়েছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌরসভার বীরহাটি এলাকায় অবস্থিত ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের জরাজীর্ণ ‘তোরণ-১’। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তা বিবেচনায় এ পদক্ষেপ নেন কর্তৃপক্ষ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. রাজিব হোসেন, ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো: […]
খায়রুল খন্দকার টাঙ্গাইল :দীর্ঘদিনের ঝুঁকির অবসান ঘটিয়ে অবশেষে অপসারণ করা হয়েছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌরসভার বীরহাটি এলাকায় অবস্থিত ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের জরাজীর্ণ ‘তোরণ-১’। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তা বিবেচনায় এ পদক্ষেপ নেন কর্তৃপক্ষ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. রাজিব হোসেন, ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো: কামরুজ্জামান সরকারসহ কলেজের শিক্ষকবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩৩ বছর আগে ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষাবর্ষে তৎকালীন ইবরাহীম খাঁ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের উদ্যোগে তোরণটি নির্মিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে এটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তোরণের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দেয়, পলেস্তারা খসে পড়ে রড বের হয়ে যায় এবং প্রায়ই এর অংশবিশেষ নিচে পড়ে যাচ্ছিল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তোরণটির নিচ দিয়ে প্রতিদিন শত শত পথচারী ও যানবাহন চলাচল করায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। বিশেষ করে ভূঞাপুর শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে অবস্থিত হওয়ায় ঝুঁকির মাত্রা ছিল অত্যন্ত বেশি।
এমন পরিস্থিতিতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তোরণটি অপসারণ করে।
তবে তোরণটি ভেঙে ফেলার পর স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে দাবি উঠেছে—ঐতিহ্যবাহী এই স্থানে আধুনিক ও নিরাপদ একটি নতুন তোরণ নির্মাণের। এলাকাবাসীর মতে, এটি শুধু একটি প্রবেশদ্বার নয়; বরং এলাকার পরিচিতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সচেতন মহলের অভিমত, পরিকল্পিতভাবে দ্রুত নতুন তোরণ নির্মাণ করা হলে একদিকে যেমন জননিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে এলাকার ঐতিহ্যও সংরক্ষিত থাকবে।