ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক:
জীবনসংগ্রাম ও নান্দনিকতার গল্পকে লেন্সের ফ্রেমে ধরে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাড়া ফেললেন বাংলাদেশের এক উদীয়মান আলোকচিত্রী। ২০২৫ সালে তাঁর সৃজনশীল কাজ তাঁকে এনে দিয়েছে আরেকটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। ফ্রান্সের Louvre Museum-এ তাঁর ‘Shadows of History’ চিত্রকর্ম সমাদৃত হওয়ার পর এবার ইতালির প্রভাবশালী সাপ্তাহিক সাময়িকী Panorama-এর কাভার পেজে স্থান পেয়েছে তাঁর তোলা একটি বিশেষ আলোকচিত্র।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এটি তাঁর দ্বিতীয় বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইতালীয় সংবাদমাধ্যমে তাঁর কাজের স্বীকৃতি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের আলোকচিত্র শিল্পের সক্ষমতার একটি শক্ত প্রমাণ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
সংগ্রামের ভেতর সুন্দরের অনুসন্ধান
এই আলোকচিত্রীর কাজের মূল সুর সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং সেই সংগ্রামের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য। তাঁর ক্যামেরায় বুড়িগঙ্গা কিংবা বাংলার শান্ত নদীপথের চিরচেনা দৃশ্যও নতুন মাত্রা পায়। এবারের কাভার স্টোরিতেও ফুটে উঠেছে জীবনঘনিষ্ঠ, বাস্তব অথচ নান্দনিক এক চিত্রভাষা।
সাফল্যের ধারাবাহিকতা
এর আগে ‘Shadows of History’ প্যারিসের Louvre Museum-এ প্রদর্শিত হয়ে আন্তর্জাতিক শিল্পবোদ্ধাদের দৃষ্টি কাড়ে। ইতিহাস ও বর্তমানের মেলবন্ধন সেখানে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় Panorama-এর প্রচ্ছদে তাঁর ছবি স্থান পাওয়াকে আলোকচিত্র জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
আলোকচিত্রী বলেন,
“জীবনসংগ্রাম আর সৌন্দর্যকে লেন্সের মাধ্যমে তুলে ধরাই আমার মূল লক্ষ্য। লুভর মিউজিয়ামের পর প্যানোরামা ম্যাগাজিনের কাভারে নিজের কাজ দেখাটা অনেক বড় প্রাপ্তি। এই অর্জন আমাকে সামনে আরও ভালো কাজ করার প্রেরণা জোগাবে।”
বিশ্বজুড়ে শিল্পবোদ্ধা ও আলোকচিত্রপ্রেমীরা তাঁর এই অর্জনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রশংসার ঢল নেমেছে। দেশের শিল্প-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক উচ্চতায় তুলে ধরায় তাঁর এই সাফল্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিল বলে মনে করছেন অনেকে।
