রাসেল আহমেদ, হোমনা প্রতিনিধি: কুমিল্লার হোমনা উপজেলার আসন্ন দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন দুলালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের কাছে তার রয়েছে ব্যপক জনপ্রিয়তা। দিন দিন তার এ জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা গেছে। মোঃ […]
রাসেল আহমেদ, হোমনা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার আসন্ন দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন দুলালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের কাছে তার রয়েছে ব্যপক জনপ্রিয়তা। দিন দিন তার এ জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা গেছে।
মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার দীর্ঘদিন যাবত এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে আসছেন। সমাজ ও এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। এছাড়াও অন্যায়, অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে এর বিরুদ্ধে এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছেন ও কাজ করে যাচ্ছেন।
রাজনীতিবিদ হিসেবে তার রয়েছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। ২০১৬ সালে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে তিনি দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্তেও আওয়ামী ষড়যন্ত্রে নির্বাচনে কৌশলে তাকে পরাজিত করা হয়। বিএনপির দুর্দিনে ডাকা আন্দোলন, হরতাল ও বিভিন্ন কর্মসূচীতে নিজের জীবন কে বাজি রেখে রাজপথে অংশ গ্রহণ করে লড়াই চালিয়ে গেছেন। এছাড়াও রাজনৈতিক কারনে তিনি অনেক হুমকী, হামলা, মামলা, জেল-যুলুম ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। তারপরও তিনি বিএনপির রাজনীতি থেকে পিছুপা হননি।
বর্তমানে তিনি দুলালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একজন সফল সংগঠক, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে এলাকায় তার পরিচিতি সুপ্রতিষ্ঠিত।
এছাড়াও পারিবারিক ভাবেও তার পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। উপজেলাতে সবাই তাদের পরিবারকে বিএনপি পরিবার হিসেবেই জানে। তার ছোট ভাই মোঃ জালাল উদ্দিন সরকার হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তার আরেক ছোট ভাই মোঃ আলাউদ্দিন সরকার মাদার অব ডেমোক্রেসী বেগম খালেদা জিয়া পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তার ছোট ছেলে মেহেদী সরকার রামকৃষ্ণপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার শিক্ষার উন্নয়ন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ইতোমধ্যেই গ্রহণ যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, তিনি সবসময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেন, যা তাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেকেই তাকে দুলালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, বিএনপির স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।