[location_search]
সম্পূর্ণ নিউজ ভোরের বাংলাদেশ

প্রচ্ছদ
৬:৪৪ অপরাহ্ণ, ১ জানুয়ারি ২০২৬

মাহমুদুল হাসানের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার প্রত্যয় সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর

  নিজস্ব প্রতিবেদক- টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন একই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।   বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় […]

মাহমুদুল হাসানের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার প্রত্যয় সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর
২ মিনিটে পড়ুন |

 

নিজস্ব প্রতিবেদক-

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন একই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাহমুদুল হাসানের জানাজা নামাজের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান ছিলেন টাঙ্গাইলের রূপকার। টাঙ্গাইলের মানুষের উন্নয়নে তিনি আজীবন কাজ করেছেন। তার সঙ্গে আমাদের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। দল-মত নির্বিশেষে আজকের এই বিশাল জানাজা প্রমাণ করে তিনি একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন।

 

তিনি আরও বলেন, উনি একজন শিক্ষানুরাগী মানুষ ছিলেন। জেলার বহু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন। তাঁকে হারিয়ে আমরা সবাই গভীরভাবে মর্মাহত। টাঙ্গাইলজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গতকাল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা শেষে তাঁর মৃত্যুর খবর পাই। আল্লাহ তায়ালা তাকে বেহেশত নসিব করুন।

 

প্রয়াত মাহমুদুল হাসানের রাজনৈতিক স্বপ্নের কথা স্মরণ করে টুকু বলেন, তাঁর শেষ ইচ্ছা ছিল মাহমুদনগরের ব্রিজ নির্মাণ এবং যমুনা নদীর পাশে বেড়িবাঁধ স্থাপন। আল্লাহ যদি আমাকে জনগণের ভোটে দায়িত্ব পালনের তৌফিক দেন, তাহলে তাঁর এসব কাজ সম্পন্ন করাই হবে আমার প্রথম নৈতিক দায়িত্ব। পাশাপাশি তাঁর রেখে যাওয়া সব অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

জানাজায় বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আযম খান, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবিব মাসুদ, প্রয়াত মাহমুদুল হাসানের ছেলে রাশেদ হাসানসহ অনেকে।

 

জানাজা শেষে তাকে টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষ এলাকায় দাফন করা হয়।

 

উল্লেখ্য, মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং অবিভক্ত ঢাকার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল রাজনীতিবিদকে হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেন রাজনৈতিক নেতারা।

 

তিনি বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকার গুলশানে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
আরও ভোরের বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com