[location_search]
সম্পূর্ণ নিউজ ভোরের বাংলাদেশ

জাতীয়
৬:৩১ অপরাহ্ণ, ১ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সংকটে মোটরসাইকেল বিক্রেতায় ধস, আকর্ষণীয় অফারেও নেই ক্রেতা

টাঙ্গাইল  প্রতিনিধিঃ জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের মোটরসাইকেল বিক্রেতাদের মধ্যে । মোটরসাইকেল বিক্রির ধসে বিক্রেতারা আকর্ষণীয় অফারের ঘোষণা দিলেও নেই ক্রেতা। জানা যায়,  পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি তেল। ফলে নতুন মোটরসাইকেল কেনার আগ্রহ হারাচ্ছেন গ্রাহক। মোটরসাইকেল শোরুম গুলোতে আকর্ষণীয় ছাড়, উপহার ও ক্যাশব্যাক অফার দিয়েও বিক্রি বাড়াতে […]

জ্বালানি সংকটে  মোটরসাইকেল বিক্রেতায় ধস, আকর্ষণীয় অফারেও নেই ক্রেতা
২ মিনিটে পড়ুন |
টাঙ্গাইল  প্রতিনিধিঃ
জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের মোটরসাইকেল বিক্রেতাদের মধ্যে । মোটরসাইকেল বিক্রির ধসে বিক্রেতারা আকর্ষণীয় অফারের ঘোষণা দিলেও নেই ক্রেতা।
জানা যায়,  পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি তেল। ফলে নতুন মোটরসাইকেল কেনার আগ্রহ হারাচ্ছেন গ্রাহক।
মোটরসাইকেল শোরুম গুলোতে আকর্ষণীয় ছাড়, উপহার ও ক্যাশব্যাক অফার দিয়েও বিক্রি বাড়াতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। ফলে মোটরসাইকেল বিক্রি কমেছে প্রায় ৫০ শতাংশ।
গত ঈদুল ফিতর এবং আগামী ঈদুল আযাহার জন্য ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন কোম্পানি ডিসকাউন্ট, উপহার, ক্যাশব্যাকসহ নানা অফার চালু করলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেগুলোতে খুব একটা সাড়া মিলছে না
টাঙ্গাইল শহরের হিরোর শোরুম এর ম্যানেজার আসাদুল ইসলাম জানান,  মোটরসাইকেল শোরুমে  ক্রেতাশূন্য অবস্থায় অলস সময় পার করছি ।
তিনি আরো জানান, আমাদের মত সবারই একই অবস্থা।  উল্লেখযোগ্য ব্রান্ডগুলো  ইয়ামাহা, সুজুকি, হিরো, টিভিএস ও বাজাজ মোটরসাইকেল। এরা সবাই একই অবস্থা। কারো কোন বেচাকেনি নেই।
বিভিন্ন কোম্পানির বিক্রেতাদের ভাষ্য  , তেলের সংকটের কারণে প্রায় সব ব্র্যান্ডের শোরুমেই বিক্রির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার থাকলেও তুলনামূলকভাবে বিক্রি বাড়ছে না। বিশেষ করে  ঈদুল ফিতরকে  কেন্দ্র করে যে পরিমাণ মোটরসাইকেল বিক্রির প্রত্যাশা ছিল, বাস্তবে তা বিক্রি কমেছে প্রায় ৫০ শতাংশ।।।।
টিভিএস শোরুম এর ম্যানেজার রাব্বি জানান,
কৃত্তিম জ্বালানি তেলের সংকটের কারনে মোটরসাইকেল বিক্রি কমে গেছে। তিনি জানান একটি মোটরসাইকেলে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দেওয়া হচ্ছে। তবুও কাঙ্খিত ক্রেতা নেই।
তাই এ সংকটময় যত দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারব তত এই ব্যবসা টিকে রাখার সম্ভব হবে। তা না হলে ব্যবসায় বড় ধরনের ধস নেমে আসবে।
অপরদিকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের বাকামিয়া ব্রিজের সংলগ্ন নিরঞ্জন আরিফ মোটরসাইকেল ওয়ার্কশপের মালিক আরিফের কথা,  জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বাইকাররা তুলনামূলক কম বের করছেন। এর ফলে সার্ভিস সেন্টারগুলোতেও মোটরসাইকেল কম আসছে। এতে করে চরম বিপাকে পড়েছেন টেকনিশিয়ানরা।
টেকনিশিয়ান নিরঞ্জনের ভাষ্য,  চলমান এই জ্বালানি সংকট কতদিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তায় রয়েছি।বেশি দিন হলে এ পেশা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে হবে।
এদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাম্প থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম কার্যকরের প্রস্তুতি চলছে।
মোটরসাইকেলে তেল নিতে রেজিস্ট্রেশন কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেট বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে বিআরটিএ অফিসেও।
 জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চ মাসে মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন হয় ৩৬৯টি, যা মার্চ মাসে বেড়ে দাঁড়ায় ৭৬৯টিতে। বিআরটিএ টাঙ্গাইলের সহকারি পরিচালক  শেখ মাহতাব উদ্দিনের কথায় মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল না দেওয়ায় গত মাসের তুলনায় রেজিস্ট্রেশন বেড়েছে দ্বিগুণ।
Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
আরও ভোরের বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com