ঢাকা
০৮ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ
ভূঞাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক লক্ষ টাকা জরিমানা গোপালপুরে কাবিটার রাস্তার ইট তুলে বাড়িতে বাথরুম নির্মাণের অভিযোগ ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে বিদ্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ     গোপালপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ সিলেটের স্বপ্না ফিজিওথেরাপি ও হিজামা সেন্টারের বিরুদ্ধে ভূল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ পানির অভাবে পুড়ছে কৃষকের স্বপ্ন, দিশেহারা হাজারো কৃষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোস্টেশন বন্ধ আজ নবম পে–স্কেল উপেক্ষা করে সচিবালয় কর্মচারীদের ২০% ভাতা—বৈষম্যের অভিযোগে মাঠ পর্যায়ে ক্ষোভ মাঠ পর্যায়ে সরকারি কর্মচারীরা।
Advertise with us

মেঘনার ঢেউয়ের ভয়াল ভাঙনের ঝুঁকিতে ইসমানিরচর গ্রাম , দ্রুত প্রতিরোধের আশ্বাস এমপি রতন,

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬   ৪৪ বার পঠিত
মেঘনার ঢেউয়ের ভয়াল ভাঙনের ঝুঁকিতে ইসমানিরচর গ্রাম , দ্রুত প্রতিরোধের আশ্বাস এমপি রতন,

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->

গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
বর্ষার শুরুতেই মেঘনা নদীর তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ইসমানিরচর এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নদীর আগ্রাসনে বসতভিটা, কৃষিজমি ও জনপদ হুমকির মুখে পড়ায় চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে নদী তীরবর্তী মানুষের। এমন পরিস্থিতিতে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন ঘোষণা দিয়েছেন, আগামীকাল থেকেই নদীভাঙন রোধে জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ইসমানিরচরকে স্থায়ীভাবে নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যে ডিও লেটার পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে তিনি ইসমানিরচর নদীভাঙন

কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং নদীতীরের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গেও কুশল বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে দেলোয়ার মিয়ার বাড়ি থেকে জেলেপাড়া পর্যন্ত নদীতীর ঘুরে দেখেন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, “আগামীকাল থেকেই জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি স্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গত মে মাসেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে স্থায়ী প্রকল্পের কাজও দ্রুত শুরু হবে।”
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর অব্যাহত ভাঙনে তীরবর্তী বসতঘর, ফসলি জমি ও গাছপালা মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে বালুভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে গেলেও মেঘনার প্রবল স্রোতের কাছে সেই উদ্যোগ কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদা মোস্তফা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রফেসর গিয়াসউদ্দিন ও মুহাম্মদ মাসুদ ফারুক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক মুন্না, সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী নূরে জান্নাত রশ্নি, ভবেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব নুরুল আমিন সরকার, ওয়ার্ড সদস্য নজরুল ইসলাম খান (বাদশা), স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই নদীভাঙনের আতঙ্ক তাদের নিত্যসঙ্গী। অনেক পরিবার একাধিকবার বসতভিটা স্থানান্তর করতে বাধ্য হয়েছে। কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় অনেকের জীবিকা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তাদের দাবি, অস্থায়ী প্রতিরোধের পাশাপাশি দ্রুত একটি টেকসই নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা না হলে ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa