আহমেদ সাজু সখীপুর টাঙ্গাইল গত কিছুদিন হলো সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু সে সড়কের ঠিক মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎতের একটি খুঁটি।এ অবস্থা সখীপুর উপজেলার কচুয়া বাজারের ভালুকা উপজেলার আঞ্চলিক সড়কে। এর ফলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়েই চলছে যাত্রী ও যানবাহন। প্রতিদিন এ সড়কে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। পার্শ্ববর্তী উপজেলা ভালুকা শিল্পনগরী হওয়ায় এ অঞ্চলের অনেক মানুষ […]
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |
আহমেদ সাজু সখীপুর টাঙ্গাইল
গত কিছুদিন হলো সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু সে সড়কের ঠিক মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎতের একটি খুঁটি।এ অবস্থা সখীপুর উপজেলার কচুয়া বাজারের ভালুকা উপজেলার আঞ্চলিক সড়কে। এর ফলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়েই চলছে যাত্রী ও যানবাহন। প্রতিদিন এ সড়কে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। পার্শ্ববর্তী উপজেলা ভালুকা শিল্পনগরী হওয়ায় এ অঞ্চলের অনেক মানুষ যাতায়াত করে।কচুয়া বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান জানায়,এ অবস্থায় সংস্কার কাজ শেষ করায় সড়কে ঝুঁকি বেড়েছে। ঠিকাদার এসব খুঁটি না সরিয়ে সড়কের কাজ শেষ করেছে।ইজিবাইক চালক সজীব মিয়া জানান,সড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি থাকার কারনে দিনে গাড়ি চালানো গেলেও রাতে তা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।তাছাড়া গাড়ির সাথে খুৃঁটির ধাক্কা লেগে বড় ধরনের দুর্ঘটনায় ঘটতে পারে। কালিয়া-আড়াইপাড়া সিনিয়র মাদরাসার শিক্ষক জয়নাল আবেদীন আজমিশ বলেন,এ সড়ক দিয়ে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী চলাচল করে।তাই এটি সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে সাধারণ মানুষ শঙ্কামুক্ত হবে।এ সড়কের ঠিকাদার দুর্গা এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী শ্যামল চন্দ্র সাহা মুঠোফোনে জানায়,৭.৫০ সংস্কার সড়কে খুঁটি সরানোর কোন অর্থ বরাদ্দ নেই।এটি সংস্কার ব্যয় ১৭ কোটি টাকা।
এবিষয়ে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (বিউবো)আবু বক্কর তালুকদার ভোরের কাগজের প্রতিনিধিকে জানান,ওই ঠিকাদার সড়কে খুঁটির বিষয়টি কাজ শুরুর পূর্বে বিদ্যুৎ বিভাগকে জানায়নি। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হলে,বিউবো বরাবর দুর্গা এন্টারপ্রাইজের নামে একটি লিখিত আবেদন দেয়।আবেদন প্রেক্ষিতে ঠিকাদারের সাথে বিউবো যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এবিষয়ে কিছু জানি না।বিউবো ও ঠিকাদারের সমন্বয়হীনতার অভাবে মানুষের ভোগান্তি চরমে।