ভোরের বাংলাদেশ ডেক্স রিপোর্টঃ টাংগাইলের গোপালপুর উপজেলার নবগ্রামের কৃতি সন্তান তরুণ কবি ও লেখক সাব্বির হোসেন বাপ্পি কবি ও লেখক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। সাহিত্য অঙ্গনে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্প্রতি প্রাণের মেলা ও প্রাণের কাব্য সম্মেলন আয়োজিত এক সাহিত্যিক অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
জাতীয় কবি পরিষদের উদ্যোগে ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে “প্রাণের মেলা ও প্রাণের কাব্য সম্মেলন– আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজধানীর কচিকাঁচা মিলনায়তনে।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সম্পাদক ও প্রকাশক ড. খান আসাদুজ্জামান (পিএইচডি)। তিনি দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার-এর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং একজন কবি, গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. ফেরদৌস সরকার, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফর বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের সংগীতশিল্পী। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, কথাসাহিত্যিক ও ভ্রমণলেখক এম. এম. সোহেল রশিদ কবি ও অভিনেতা এবং কবি, প্রকাশক ও সংগঠক মোসলেহ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন কবি, উপন্যাসিক ও সংগঠক মোহাম্মদ আলমগীর জুয়েল।
আলোচক হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন মো. আমিনুল ইসলাম, ডা. আব্দুল হাকিম।
এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ—
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জিন্নুন রহমান খান (নিপা), সভাপতি, প্রাণের মেলা জাতীয় কবি পরিষদ। আর অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোঃ বেল্লাল হাওলাদার, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী প্রাণের মেলা জাতীয় কবি পরিষদ।
অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ সমাচার, The Daily Bangladesh Diary এবং খবরানি।
উক্ত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে কবিদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন কবি আন্জুমান আরা।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত কবি, লেখক ও সাহিত্যপ্রেমীদের উপস্থিতিতে সম্মাননাটি তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
উপস্থিত অতিথিরা বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাহিত্যচর্চা এগিয়ে নিতে সাব্বির হোসেন বাপ্পির মতো মেধাবী লেখকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাব্বির হোসেন বাপ্পি দীর্ঘদিন ধরে কবিতা ও সাহিত্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত। তার লেখায় সমাজ, মানবতা ও সমকালীন নানা বিষয় উঠে আসে। ইতোমধ্যে তার লেখা বিভিন্ন পত্রিকা, ম্যাগাজিন ও অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে পাঠকমহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে সাব্বির হোসেন বাপ্পি বলেন, এই স্বীকৃতি তাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো লেখা ও সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত করবে। তিনি সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তার এই অর্জনে স্থানীয় এলাকাবাসী ও শুভানুধ্যায়ীরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে তার আরও সাফল্য কামনা করেছেন।
কবি ও লেখক সম্মাননা পেলেন গোপালপুরের কৃতি সন্তান সাব্বির হোসেন বাপ্পি।
৫৮
