হাফিজুর রহমান: হেমনগর রেল স্টেশন এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কেবলই পরিত্যক্ত স্থাপনায় রূপ নিয়েছে। যাত্রীহীন প্ল্যাটফর্ম, বন্ধ টিকিট কাউন্টার আর মরিচা ধরা সাইনবোর্ড—সব মিলিয়ে স্টেশন জুড়ে নেমে এসেছে নীরবতা ও অবহেলার দীর্ঘ ছায়া। অবহেলা-অনিয়ম আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেশনটিতে সংরক্ষিত কোটি টাকার আসবাবপত্র এখন নষ্ট হওয়ার পথে। অপেক্ষমান কক্ষের […]
হাফিজুর রহমান:
হেমনগর রেল স্টেশন এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কেবলই পরিত্যক্ত স্থাপনায় রূপ নিয়েছে। যাত্রীহীন প্ল্যাটফর্ম, বন্ধ টিকিট কাউন্টার আর মরিচা ধরা সাইনবোর্ড—সব মিলিয়ে স্টেশন জুড়ে নেমে এসেছে নীরবতা ও অবহেলার দীর্ঘ ছায়া।
অবহেলা-অনিয়ম আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেশনটিতে সংরক্ষিত কোটি টাকার আসবাবপত্র এখন নষ্ট হওয়ার পথে। অপেক্ষমান কক্ষের চেয়ার–টেবিল, ইকুইপমেন্ট, ইলেকট্রনিক সামগ্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন অফিস সামগ্রী শুধু ধুলোয় ঢেকে যাচ্ছে। ভাঙাচোরা দরজা-জানালা দিয়ে রাতে অনাধিকার প্রবেশের ঘটনাও ঘটছে, ফলে মূল্যবান এসব সম্পদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃনগর ট্রেন বন্ধ থাকায় যাত্রীসেবার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুযোগও কমে গেছে। তারা দাবি তুলেছেন—হেমনগর রেল স্টেশন পুনরায় চালু করা হোক এবং অবহেলায় পড়ে থাকা সরকারি সম্পদ দ্রুত রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় আনা হোক।

Screenshot
রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেবা পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কবে স্টেশনটি আবার সচল হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
হেমনগর রেল স্টেশনের মর্যাদা ফেরাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ—এটাই এখন স্থানীয়দের প্রত্যাশা।