ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক: ঢাকার দারুস সালাম থানার অন্তর্গত জাহানাবাদ আবাসিক এলাকায় কোনো ধরনের শিল্প কারখানা বা ওয়াশিং প্লান্ট নির্মাণের অনুমতি নেই। কিন্তু এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন মোখলেসুর রহমান বাদল হাজী (পিতা আজিজুল হক, ঠিকানা: ৯ জাহানাবাদ) কিছু সরকারি খাস জমি এবং তার নিজ মালিকানাধীন জমির ওপর অবৈধভাবে একটি ওয়াশিং প্লান্ট নির্মাণ করেছেন। বাড়ির মালিক […]
ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক:
ঢাকার দারুস সালাম থানার অন্তর্গত জাহানাবাদ আবাসিক এলাকায় কোনো ধরনের শিল্প কারখানা বা ওয়াশিং প্লান্ট নির্মাণের অনুমতি নেই। কিন্তু এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন মোখলেসুর রহমান বাদল হাজী (পিতা আজিজুল হক, ঠিকানা: ৯ জাহানাবাদ) কিছু সরকারি খাস জমি এবং তার নিজ মালিকানাধীন জমির ওপর অবৈধভাবে একটি ওয়াশিং প্লান্ট নির্মাণ করেছেন।
বাড়ির মালিক সমিতি ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে মৌখিকভাবে বাধা দিলেও তিনি কোনো গুরুত্ব দেননি। বরং ভাড়াটিয়ার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তিনি ওয়াশিং প্লান্ট নির্মাণের জন্য অবকাঠামো (সেট) নির্মাণ অব্যাহত রেখেছেন।
পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওয়াশিং প্লান্টটি চালু হলে হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ বিভিন্ন কেমিকেল গ্যাসচালিত হাইড্রোলিক বয়লার ব্যবহৃত হবে, যা একটি আবাসিক এলাকার জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এতে আগুন, বিস্ফোরণ, বিষাক্ত গ্যাস নির্গমন এবং পানি দূষণের মতো বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, যেকোনো সময় ঘটতে পারে জানমালের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি।
ওয়াসা ও তিতাসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ । জাহানাবাদ এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, ঢাকা ওয়াসা জোন-৩ এর সহকারী প্রকৌশলী কামরুন নাহার জানিয়েছেন
“আবাসিক এলাকায় কোনো ডিপ ট্যাংক বা ওয়াশিং প্লান্ট স্থাপন করতে হলে ওয়াসার অনুমতি অবশ্যই বাধ্যতামূলক। অনুমতি ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা আইনগতভাবে অবৈধ।”
এ ছাড়া তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
অভিযোগেও সাড়া নেই জাহানাবাদ বাড়ির মালিক সমিতি এবং মসজিদ কমিটি একাধিকবার দারুস সালাম থানায় অভিযোগ করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্লান্ট-নির্মাণের প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা ফরিদ নামের ব্যক্তির মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। মালিক বাদলকেও একাধিকবার ফোনে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি জাহানাবাদ আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা বলেন আমাদের শান্তিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় কীভাবে অবৈধ ওয়াশিং প্লান্ট নির্মাণ হয়? উচ্চ ঝুঁকির এই স্থাপনা আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি।”

অবিলম্বে অবৈধ ওয়াশিং প্লান্ট নির্মাণ বন্ধ করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ওয়াসা, তিতাস, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত পরিদর্শন আবাসিক এলাকার পরিবেশ ও নিরাপত্তা রক্ষার ব্যবস্থা ।
জাহানাবাদ আবাসিক এলাকায় চলছে অবৈধ ওয়াশিং প্লান্ট নির্মাণ—যা শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার পরিবেশ ও নিরাপত্তার প্রতি ভয়াবহ হুমকি। বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা যায়।