ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
হাফিজুর রহমান:
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবের চর এলাকায় আওয়ামী লীগের দোসর মহিউদ্দিন ঠাকুর নামক ফ্যাসিস্টের দোসর দীর্ঘদিন যাবৎ আনন্দমেলা সিএনজি পাম্প,ও তার মালিকানাধীন একাধিক হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের আড়ালে লাখ লাখ টাকার গ্যাস চুরি করেছে এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে । এদিকে জানা গেছে তিতাসের অসাধু কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে গ্যাস চুরি করে আসছে মহিউদ্দিন ঠাকুর । এই অবৈধ গ্যাস চুরির ব্যবসার বদৌলতে মহিউদ্দিন ঠাকুর আজ কোটি কোটি টাকা ও বিপুল সম্পদের মালিক। বিগত দিনে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে গ্যাস চুরির সহ নানার অবৈধ অপকর্ম করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন। আওয়ামী আমলের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বিএনপির কিছু নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে তিতাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অব্যাহত রয়েছে তার গ্যাস চুরির ব্যবসা। আওয়ামী সরকারের সাবেক এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষের এর সিএনজি পাম্প বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অবৈধ ব্যবসার টাকা পয়সা রক্ষক এই মহিউদ্দিন ঠাকুর বলে একাধিক সূত্রে অনুসন্ধানে জানা যায়।
শুধু তাই নয় সুকুমার রঞ্জন ঘোষের আরেক ব্যবসায়িক পাটনা সিরাজ- আম্বিয়া ও আনোয়ার হোসেন গংয়ের সিএনজি পাম্পের আড়ালে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে গ্যাস চুরি সহ অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন মহিউদ্দীন ঠাকুর। এলাকার বিভিন্ন লোকদের সাথে আলাপকালে এলাকাবাসী বলেন মহিউদ্দিন ঠাকুরের পোষা- বারো সব সময়ই। আওয়ামী লীগের আমলে অবৈধ ব্যবসা করে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করেছেন বর্তমানে বিএনপির কিছু নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে করছে অবৈধ ব্যবসা ।
এদিকে আরো জানা যায় জিরো থেকে হিরো এখন মহিউদ্দিন ঠাকুর, যে লোকটির এক সময় নুন আনতে পান্তা ফুরায় আজ সেই লোকটি কোটি কোটি টাকা ও বিপুল সম্পদের মালিক। আরো জানা গেছে এই অবৈধ সম্পদ অর্জনের পিছে রয়েছে গ্যাস চুরি, সুকুমার রঞ্জন ঘোষ, আনোয়ার হোসেন ও সিরাজ- আম্বিয়ার অবৈধ ব্যবসার পরিচালনার মাধ্যমে এই অর্থ বিত্তের মালিক মহিউদ্দিন ঠাকুর। এলাকাবাসী ও বিভিন্ন মহলের দাবি আওয়ামী লীগের দোসর মহিউদ্দিন ঠাকুরের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ ও তার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।
এই বিষয়ে মহিউদ্দিন ঠাকুরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায় নি