ঢাকা
২৮ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ
ইংলিশ অলিম্পিকে এশিয়া মহাদেশে প্রথম হওয়া কৃতি শিক্ষার্থী তাজকে সংবর্ধনা । টানা বর্ষণে দুর্যোগের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে রাঙ্গামাটি জেলা জামায়াত ভূঞাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক লক্ষ টাকা জরিমানা গোপালপুরে কাবিটার রাস্তার ইট তুলে বাড়িতে বাথরুম নির্মাণের অভিযোগ ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে বিদ্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ     গোপালপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ সিলেটের স্বপ্না ফিজিওথেরাপি ও হিজামা সেন্টারের বিরুদ্ধে ভূল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ পানির অভাবে পুড়ছে কৃষকের স্বপ্ন, দিশেহারা হাজারো কৃষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোস্টেশন বন্ধ আজ নবম পে–স্কেল উপেক্ষা করে সচিবালয় কর্মচারীদের ২০% ভাতা—বৈষম্যের অভিযোগে মাঠ পর্যায়ে ক্ষোভ মাঠ পর্যায়ে সরকারি কর্মচারীরা।
Advertise with us

১২০ প্রাণহানির সেই ট্র্যাজেডি: নয় বছর পরও রাঙামাটিবাসীর মনে ভয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬   ৭৪ বার পঠিত
১২০ প্রাণহানির সেই ট্র্যাজেডি: নয় বছর পরও রাঙামাটিবাসীর মনে ভয়

 

রাঙামাটি প্রতিনিধি :: মো. নাজিম আল হাসান

ভোররাতে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে রাঙামাটি শহরের দুই সেনা কর্মকর্তাসহ ১২০ জনের প্রাণহানি ঘটে। আজ থেকে ঠিক নয় বছর আগে, ২০১৭ সালের ১৩ জুন ভয়াবহ পাহাড় ধসে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল পার্বত্য জেলা রাঙামাটি। টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে সৃষ্ট সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুই সেনা কর্মকর্তাসহ ১২০ জনের প্রাণহানি ঘটে। নয় বছর পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি ও আতঙ্ক আজও রাঙামাটিবাসীর মনে তাজা হয়ে আছে।

২০১৭ সালের ১৩ জুন ভোররাতে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে রাঙামাটি শহরের মানিকছড়ি, ভেদভেদী, রাঙাপানি এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তেই মাটির নিচে চাপা পড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ি। নিঃস্ব হয়ে যায় অনেক পরিবার। ভয়াবহ এ দুর্যোগে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে প্রাণ হারান পাঁচ সেনাসদস্য। ঘটনার পর কয়েকদিন দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

দীর্ঘ নয় বছর পেরিয়ে গেলেও নিহতদের পরিবারের শোক এখনও কাটেনি। প্রতি বছর ১৩ জুন ফিরে এলে নতুন করে স্মরণ হয় সেই কালরাতের কথা। স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে এখনও অনেক পরিবার দিন কাটাচ্ছে।

এদিকে পাহাড় ধসের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস না করার জন্য বিভিন্ন সময় সতর্কতা জারি করা হলেও বাস্তব চিত্রে তেমন পরিবর্তন আসেনি। পুনর্বাসনের অভাব ও আর্থিক সংকটের কারণে এখনও অনেক মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালেই বসবাস করছেন। বর্ষা মৌসুম এলেই তাদের মধ্যে তৈরি হয় নতুন আতঙ্ক।

চলতি বর্ষা মৌসুমেও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিংসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে স্থায়ী পুনর্বাসন না হওয়ায় অনেকেই নিজেদের বসতভিটা ছেড়ে যেতে পারছেন না।

পরিবেশবিদদের মতে, অপরিকল্পিত পাহাড় কাটা ও বন উজাড় বন্ধ করা না গেলে ভবিষ্যতেও বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকি থেকেই যাবে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের জন্য স্থায়ী পুনর্বাসন ও নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন রাঙামাটির সচেতন মহল।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa