হাফিজুর রহমান মুন্সিগঞ্জের গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন–এ সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা সাইফুলের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের দাবি, টিআর-কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ, ট্রেড লাইসেন্স ফি এবং বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ/ওয়ান পার্সেন্ট কমিশন থেকে নিয়মিত অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগকারীরা জানান, ইউনিয়ন পরিষদের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য একাধিক […]
হাফিজুর রহমান
মুন্সিগঞ্জের গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন–এ সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা সাইফুলের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের দাবি, টিআর-কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ, ট্রেড লাইসেন্স ফি এবং বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ/ওয়ান পার্সেন্ট কমিশন থেকে নিয়মিত অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা জানান, ইউনিয়ন পরিষদের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য একাধিক প্রকল্প প্রস্তাব করা হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্পষ্ট জবাবদিহিতা ছিল না। পূর্বে গুয়াগাছিয়ায় দায়িত্ব পালনকালে গ্রামীণ উন্নয়ন, ট্রেড লাইসেন্স আদায় ফি থেকেও অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর আগেও সচিবের পরিবারের বসতবাড়ি ছিল কাঁচাঘর; বর্তমানে সেখানে চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে এই আর্থিক পরিবর্তনের উৎস এবং তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমাকৃত অর্থ সম্পর্কেও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
বর্তমানে সাইফুল ভবেরচর ইউনিয়ন–এর সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেখানেও ইউনিয়ন পরিষদের কিছু সদস্যের সঙ্গে সমন্বয় করে ট্রেড লাইসেন্স ও অন্যান্য আর্থিক খাত থেকে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
অভিযোগের বিষয়ে সচিব সাইফুলের কাছে খুদে বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য প্রদান করেননি। এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থব্যবস্থাপনা পরীক্ষা এবং অভিযোগের বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রথম পর্ব ভোরের বাংলাদেশের সাথেই থাকুন,,,,