ঢাকা
১৫ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ
ইংলিশ অলিম্পিকে এশিয়া মহাদেশে প্রথম হওয়া কৃতি শিক্ষার্থী তাজকে সংবর্ধনা । টানা বর্ষণে দুর্যোগের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে রাঙ্গামাটি জেলা জামায়াত ভূঞাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক লক্ষ টাকা জরিমানা গোপালপুরে কাবিটার রাস্তার ইট তুলে বাড়িতে বাথরুম নির্মাণের অভিযোগ ইউপি সদস্য দম্পতির বিরুদ্ধে বিদ্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ     গোপালপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ সিলেটের স্বপ্না ফিজিওথেরাপি ও হিজামা সেন্টারের বিরুদ্ধে ভূল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ পানির অভাবে পুড়ছে কৃষকের স্বপ্ন, দিশেহারা হাজারো কৃষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোস্টেশন বন্ধ আজ নবম পে–স্কেল উপেক্ষা করে সচিবালয় কর্মচারীদের ২০% ভাতা—বৈষম্যের অভিযোগে মাঠ পর্যায়ে ক্ষোভ মাঠ পর্যায়ে সরকারি কর্মচারীরা।
Advertise with us

শতকোটি টাকার দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড ঢাকা (এল এ) শাখার সেই সার্ভেয়ার মুজিবুল হক পুনরায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ! ডিসির নাম বিক্রি করে জড়াচ্ছেন বিভিন্ন অপকর্মে

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬   ১০১ বার পঠিত
শতকোটি টাকার দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড ঢাকা (এল এ) শাখার সেই সার্ভেয়ার মুজিবুল হক পুনরায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় !  ডিসির নাম বিক্রি করে জড়াচ্ছেন বিভিন্ন অপকর্মে

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->

# ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক#

আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী কর্মচারী , অতঃপর ঘুষ- দুর্নীতি নানান অনিয়ম অপকর্মের অভিযোগে দুদকের মামলায় আটক পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি , দুর্নীতির সেই মাস্টারমাইন্ড সার্ভেয়ার মজিবুল হক মোটা অংকের অর্থ খরচ করে আবার বদলি নিয়োগ নিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার( এল এ ) -৩ এ । শুধু ৩ এ নয় আবার অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন ভূমি অধিগ্রহণ শাখার-১ এ । এর সাথে এখন আবার ব্যবহার করছেন বিভিন্ন ক্ষমতাসীন ব্যক্তির নাম । এল এ – ১ শাখায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়ে নানান অনিয়ম শুরু করেছেন মুজিবুল। অন্যদিকে ঢাকা এল এ শাখায় বহু সংখ্যক সার্ভেয়ার রয়েছেন তার পরেও মজিবুল হককে অতিরিক্ত হিসাবে নিজের শাখা বাহিরে অন্য শাখায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে চলছে বিভিন্ন মহলের নানান কানাঘুষা। বিগত সরকারের আমলে ঢাকার তৎকালীন জেলা প্রশাসক আওয়ামী সরকারের দোসর বর্তমানে দুর্নীতি নানান অনিয়ম অপকর্ম ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতির মামলায় আটক মোহাম্মদ মহিবুল হকের ছত্রছায়ায় আর্শিবাদ পুষ্ট হয়ে ঢাকা এল এ শাখায় ঘুষ- দুর্নীতি নানান অনিয়ম অপকর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠা সেই বিতর্কিত সার্ভেয়ার মজিবুল হক কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখায় যোগদান করে অতীতের ন্যায় দুর্নীতি অনিয়মের জাল বিস্তারের ছক কষছে বলে এমন গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে সদ্য যোগদানকৃত সার্ভেয়ার মজিবুল হকের বিরুদ্ধে । বর্তমান জেলা প্রশাসকের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ততা হওয়ার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে এই সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে। বিগত সরকারের আমলেও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে নিজ দায়িত্বের পরে একাধিক অতিরিক্ত দায়িত্ব( এল এ) বিভিন্ন শাখায় বাগিয়ে নেন। এরপর শুরু করেন নানান দুর্নীতি -অনিয়ম কর্মকাণ্ড । ঘুষ- দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করা অর্থে রাজধানী ও তার আশপাশের এলাকায় সার্ভেয়ার মজিবুল হকের রয়েছে ফ্লাট ,বাড়ি, গাড়ি , জমি ও নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ । এসব সম্পত্তি স্ত্রী ,আত্মীয় স্বজনের নামে করেছেন আইনের হাত থেকে নিজকে বাঁচাতে। একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানা গেছে সুচতূর সার্ভেয়ার মজিবুল হক এল এ শাখায় যোগদানের পর থেকেই বর্তমান জেলা প্রশাসকের নাম ব্যবহার করে ধরাকে সরা করার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন ব্যক্তি মাধ্যমে জোর গলায় বলে বেড়াচ্ছে জেলা প্রশাসক তার কাছের লোক আরো কত কি ইত্যাদি ইত্যাদি এই সব বলে কিসের বার্তা দিতে চাচ্ছেন সার্ভেয়ার মজিবুল হক । তবে ঢাকার জেলা প্রশাসক আদৌও জানেন কি সার্ভেয়ার মুজিবুল হকের এই অপকর্মের কথা। সম্প্রতি এল এ শাখার কোটি টাকার বিলে ২৫ পার্সেন্ট ঘুষ কমিশন নিয়ে জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙ্গিয়ে সেই বিল ছাড় করিয়েছেন মজিবুল হক এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে । এদিকে অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে সার্ভেয়ার মজিবুল হক ২০০৪ সালে চাকুরিতে যোগদান করার পর থেকেই ঢাকাতেই কর্মরত আছেন। এখানে উল্লেখ্য যে ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন সরকারের দোসর মোহাম্মদ মহিবুল হক । ঔ সময় মগবাজার, মৌচাক, মালিবাগ উড়াল সড়কসহ কয়েকটি প্রকল্পের অনুমোদন দেন এবং অধিগ্রহণ শুরু করে সরকার। তখন তৎকালীন ডিসি মহিবুল হকের আস্থাভাজন হয়ে ওই প্রকল্প গুলোর সার্ভেয়ার হিসাবে প্রকল্প শাখার দায়িত্ব পান মজিবুল হক। অধিগ্রহণকৃত প্রকল্পগুলোতে নানান অনিয়ম অপকর্ম করে মোটা অংকের অর্থ লুটপাট করে সার্ভেয়ার মজিবুল হক এবং এই লুটপাট করা অর্থের একটি অংশ তৎকালীন জেলা প্রশাসক সার্ভেয়ার মজিবুল হকের মাধ্যমে নিয়ে থাকতো বলে সূত্রে জানান। ২০১৭সালে প্রকল্পটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। পরে এই প্রকল্পের অনিয়ম ,দুর্নীতি ও কয়েক শত কোটি টাকার অর্থ লোপাটের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে ২০১৭ সালে এল এ কেস নং – ৪/২০১৫/১৬ নথীর অনিয়মের মামলায় সার্ভেয়ার মজিবুল হক ও আসাদ আটক হয়ে জেল হাজতে যান। আরো জানা যায় এই মামলা থেকে রেহাই পেতে তৎকালীন ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার হেলাল উদ্দিনের পিছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করেন সার্ভেয়ার মজিবুল হক চক্রটি। এল এ শাখার অবৈধ টাকার মধুর খনিতে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগদান করে একাধিক দায়িত্ব বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি । সার্ভেয়ার মজিবুল হকের বিরুদ্ধে উঠা নানান অনিয়ম, দুর্নীতি ক্ষমতা অপব্যবহারের বিষয়ে জানতে তার মোবাইলে একাধিক বার ফোন দিলে তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি । এদিকে সার্ভেয়ার মজিবুল হকের নানার অনিয়ম অপকর্মের বিষয়ে জানতে ঢাকার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের মোবাইল ফোনে বারবার ফোন দেওয়ার পরও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। মজিবুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা: ইতিপূর্বে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত অর্থ লোপাট ও দুর্নীতি সংক্রান্ত ঘটনায় দায়ের করা বেশ কয়েকটি মামলায় সার্ভেয়ার মো. মজিবুল হকসহ অন্যান্যদের আসামি করা হয়েছে, এছাড়া, একই চক্রের অন্যান্য সার্ভেয়ারদের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাঁদের গ্রেপ্তারও করেছে । এই বিষয়ে দৈনিক প্রথম আলো সহ একাধিক সংবাদ পত্রে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
সাম্প্রতিককালে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সার্ভেয়ারদের বিভিন্ন সময় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বদলি করা হলেও, দুর্নীতি ও ভূমি অধিগ্রহণ দালাল চক্রের সাথে জড়িৎ থাকা এবং তাদের অনিয়ম অপকর্মের বিরুদ্ধে জোড়ালো প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের দুর্নীতি , অনিয়ম বেড়েই চলছে । বর্তমান সরকার দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার শূন্য কোঠায় নিয়ে আসতে কাজ করছে অথচ দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ার মজিবুল হকদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে পূণর্বাসিত করছে একটি মহল। এদিকে অনুসন্ধানে বিভিন্ন একাধিক সূত্র ও দুদক মামলার নথি থেকে জানা গেছে
ঢাকার ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় কর্মরত সার্ভেয়ার আসাদ ও মজিবুল হকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ঘুষ, দুর্নীতি ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে, দুদকের পূর্ববর্তী বিভিন্ন অনুসন্ধান ও মামলার তথ্যানুযায়ী, রেলওয়ে ও সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের অর্থ আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়ম অপকর্মের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাদের নাম আসে। সার্ভেয়ার মজিবুল হক এল এ শাখায় যোগদান করার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহার , নানান অনিয়ম এর সাথে সম্পৃক্ততার জাল বিস্তারের বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে এ বিষয়ে জানতে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল এ) এর সাথে তার মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ মজিবুল হকের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন এই সার্ভেয়ারের দুর্নীতি নানান অপকর্মের বিষয়ে আমাদের জানা নেই । যদি আপনাদের কাছে এই বিষয়ে কোনো তথ্য থাকে আমাদেরকে জানালে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব এ কথা বলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল এ) । ঢাকা এল এ শাখার দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড সার্ভেয়ার মুজিবুল হকের ঘুষ-দুর্নীতি, নানান অনিয়মের বিষয়গুলো তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa