ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক : মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয় (এলএ )ভূমি অধিগ্রহণ শাখার ট্রেসার (ম্যাপ–স্কেচ প্রস্তুতকারী) সরকারি কর্মচারী মেহেদী হাসান ফরাজী । একই শাখায় আছেন প্রায় এক যুগেরও বেশি । এই সুবাদে ঘুষ- দুর্নীতি, নানান অনিয়ম অপকর্ম এবং জাল জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে […]
ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক :
মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয় (এলএ )ভূমি অধিগ্রহণ শাখার ট্রেসার (ম্যাপ–স্কেচ প্রস্তুতকারী) সরকারি কর্মচারী মেহেদী হাসান ফরাজী । একই শাখায় আছেন প্রায় এক যুগেরও বেশি । এই সুবাদে ঘুষ- দুর্নীতি, নানান অনিয়ম অপকর্ম এবং জাল জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে । এদিকে বিভিন্ন সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা গেছে গত কয়েক বছরে অবৈধ পন্থায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিল ছাড় করার নামে লোকজনকে টেপে ফেলে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে কোন বিল থেকে ২৫ পার্সেন্ট কোন বিল থেকে১৫% ১০% কোন বিল থেকে ৭% নিয়ে ধরাকে সরা করে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা হাতে নিয়েছে বলে অনুসন্ধানে এমন তথ্য উঠে এসেছে । মুন্সিগঞ্জ জেলায় গত কয়েক বছরে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায় শত শত বিঘা জমি অধিগ্রহণ করা হয় । ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন টাকা উঠাতে মুন্সিগঞ্জ এল এ শাখায় আসলে গ্রামের সহজ সরল লোকদের ফাঁদে ফেলে একের পর এক অপকর্ম করছে এই টেসার । বর্তমানেও তার এই অপকর্ম অব্যাহত আছে। মুন্সিগঞ্জ জেলা গজারিয়া উপজেলা হোসেন্দী ইউনিয়নের ইসমানির চর এলাকার বাসিন্দা ট্রেসার মেহেদী হাসান ফরাজীর এসব অপকর্ম অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনারকে তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল।
মুন্সীগঞ্জের বলাকিচর এলাকায় ১০ বিঘা সম্পত্তি ক্রয় করেছেন মেহেদী হাসান ফরাজী। নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় আলিশান বাড়ি , মুন্সিগঞ্জ আফতাব টাওয়ারে বিলাস বহুল ফ্লাট যার মূল্য কোটি টাকা। এছাড়া কাজিপুরা এলাকায় ১৭ বিঘা সম্পত্তি ক্রয় করেছেন এমনটি অভিযোগ করেছেন এলাকার ভুক্তভোগীরা। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া নাস্তি মৌজায় জমি ক্রয় করেছেন দশ বিঘা সম্পত্তি । দুই তিন মাস পর পরই জমি ক্রয় করেন এই অসাধু কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফরাজী। এছাড়া নিজ গ্রাম ইসমানির চর জামের মসজিদে ঘুষ এর টাকা দান করেন প্রতিনিয়ত যা এলাকায় মানুষে মধ্যে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। তার এত টাকার উৎস কোথায় থেকে আসে। তার বাবা ইয়াছিন ফরাজী গ্রামের কেজি স্কুলের মাস্টার ছিলেন যার দিন আনতে পান্তা ফুরাত তার সংসার চালাইতে। তার সন্তান আজ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে।
৬০ লাখ টাকা খরচ করে এরই মধ্যে ইসমানির চর এলাকায় পাঁচতলা ফাউন্ডেশন এর তিনতলা বাড়ির ডেকোরেশন কাজে করেছেন যা সরেজমিনে যেয়ে সততা পাওয়া যায়। যা গ্রামের বাড়িতে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণের একটি চিত্র।
এতেই শেষ নয় ইসমানির চর এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সাথেই বাড়িসহ জমি ক্রয় করেছেন। মাদ্রাসার এতিমখানায় ঘুষের টাকা দান করে এলাকায় সুনাম অর্জন করছে প্রতিনিয়ত যাহা জনমানবে সমালোচনায় সৃষ্টি করছে।
মেহেদী হাসান ফরাজী মুন্সিগঞ্জের ডিসি অফিসে প্রায় ১২ বছর বছর ধরে এল এ শাখায় ট্রেসার (ম্যাপ স্কেচ) পদে কর্মরত। মুন্সিগঞ্জের ভূমি অধিগ্রহণ বিভিন্ন সময়ে অধিগ্ৰহন হওয়ায় কোটি কোটি টাকার মধ্যে ১০% কমিশন নিয়ে এল এ শাখার ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের চেক হস্তান্তরের কাজ করতো। মোটা অংকের কমিশন না দিলে এল এ শাখার কোন কাজই হতো না এমনটি অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের এলএ (ভূমি অধিগ্রহণ) শাখার ট্রেসার (ম্যাপ–স্কেচ প্রস্তুতকারী) শাখায় থেকে ১০ থেকে ১২ বছরে কামিয়াছেন প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা। এই বিষয়ে এলাকাবাসীও বিভিন্ন মহল দুর্নীতি দমন কমিশন কে মেহেদির হঠাৎ উত্থান বিপুল সম্পদ অর্জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন এত সম্পদ অর্জন করল মেহেদী হাসান ফরাজী কিভাবে।
যার বেতন ২২ হাজার টাকা । এখনকার সময়ে বিশ হাজার টাকা দিয়ে একটি সংসার চালানো অনেক কঠিন কিন্তু সে কয়েক বছরে এল এ শাখার ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জমি অধিগ্রহণের গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় সরকার অধিগ্রহণ করে । তিতাসের গ্যাস লাইন ও তেল সরবরাহের পাইপ লাইনের জন্য জমি অধিগ্রহণ করে । বিশেষ সূত্রে জানা যায় সেই অধিগ্রহণ থেকে উপরোস্ত কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে কমিশন নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের চেক হস্তান্তর করে এছাড়া মুন্সীগঞ্জের হাই ওয়ে রোডটি ২০২২-২৩ অর্থবছরে অধিগ্রহণ করেন সেখান থেকেও এ কয়েক বছরে ১০% কমিশন ছাড়া কাজ করেনি এমন এমনটি অভিযোগ করেন এলাকার ভুক্তভোগীরা ।
এ বিষয়ে তাহার নিকট মোবাইল ফোনে খুদেবার্তা ও যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং আপনি অফিসে আসেন পরে কথা হবে বলে ফোন কেটে দেন।
এদিকে ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদক কে মানবাধিকার কর্মী, বিভিন্ন ভুঁইফোর পত্রিকার সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে হুমকি দিচ্ছে নিউজ বন্ধ করার জন্য মেহেদী হাসান ফরাজী লোকজন ।