সফিউর রহমান সফিক– মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থেকে ফিরে — তিতাসের অসাধু কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে সিএনজি পাম্পের আড়ালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভবের চর এলাকায় আনন্দ মেলা সিএনজি পাম্পে রিপন ঢালী নামক ব্যক্তির চোরাই গ্যাস ব্যবসা এখন ওপেন সিক্রেট । এদিকে বিভিন্ন সূত্রে অনুসন্ধানে জানা গেছে দীর্ঘদিন যাবৎ চোরাই গ্যাসের ব্যবসা করে রিপন ঢালী হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি […]
সফিউর রহমান সফিক– মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থেকে ফিরে —
তিতাসের অসাধু কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে সিএনজি পাম্পের আড়ালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভবের চর এলাকায় আনন্দ মেলা সিএনজি পাম্পে রিপন ঢালী নামক ব্যক্তির চোরাই গ্যাস ব্যবসা এখন ওপেন সিক্রেট । এদিকে বিভিন্ন সূত্রে অনুসন্ধানে জানা গেছে দীর্ঘদিন যাবৎ চোরাই গ্যাসের ব্যবসা করে রিপন ঢালী হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এর ভবের চর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আনন্দমেলা সিএনজি পাম্পটি এটির কর্ণধার আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর দোসর সুকুমার রঞ্জন ঘোষ ও তার ব্যবসায়িক পার্টনার জনৈক আমেরিকা প্রবাসীর । বৈধ লাইনের আড়ালে বিশেষ কায়দায় অবৈধ লাইন টেনে এই সিএনজি পাম্পে কোটি কোটি টাকার গ্যাস চুরি করছে রিপন চক্র। শুধু তাই নয় সিএনজি পাম্প থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস সরবরাহ নিষিদ্ধ অথচ কাভার্ডভ্যান গাড়িতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাসের সরবরাহ করেছে প্রতিনিয়ত । উক্ত পাম্প থেকে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল কভার্ডভ্যান গুলোতে শতাধিক সিলিন্ডার থাকে। দিনরাত তিতাসকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রিপন ঢালির নেতৃত্বে এসব অবৈধ গ্যাসের ব্যবসা চলছে আনন্দমেলা সিএনজি পাম্পে । যে কোনো সময় এই অবৈধ গ্যাস সরবরাহার কারণে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এই বিষয়ে এলাকাবাসী ও বিভিন্ন মহল তিতাসের ঊর্ধ্বতন মহলে বারবার জানানোর পরও বন্ধ হয় নাই রিপন ঢালির চোরাই গ্যাসের ব্যবসা। তিতাস কর্তৃপক্ষ লোক দেখানো অভিযান করে মাঝেমধ্যে কিন্তু থলের বিড়াল রয়ে যায় থলেতেই । যার ফলে রিপন ঢালির মতো দুরন্দরা ধারাকে সরা করে বছরের পর বছর বৈধ পাম্পের সাইনবোর্ডে অবৈধ পথে গ্যাস চুরি করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। ভবের চরের রিপন ঢালি এখন বিপুল টাকার মালিক। অন্যদিকে আরো জানা গেছে রিপন ঢালির অবৈধ গ্যাস চুরির আরেক সহযোগী হল তার ভাই আনোয়ার হোসেন। রাজধানীতে থেকে চোরাই গ্যাস ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সিএনজি পাম্পের আড়ালে অবৈধ গ্যাস সরবরাহ ও গ্যাস চুরির বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রিপন ঢালির সাথে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যা কিছু করা হয় নিয়ম মাফিকই করা হয় এবং এ বিষয়ে তিতাস কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন। রিপন ঢালী ও আনোয়ার ঢালি গজারিয়া শ্রীনগর গ্রামের বাসিন্দা। এক সময় স্বৈরাচার এর দোসরদের সাথে আঘাত করে গ্যাস চুরির ব্যবসা করতো ! এখন রূপ পাল্টে বিএনপির কতিপথ ধান্দাবাজ নেতার ছত্রছায়া করছে চোরাই গ্যাসের ব্যবসা।