টাঙ্গাইলে কৃষি কর্মকর্তা আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (উপ- সহকারী) কৃষি কর্মকর্তা আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ৪,৪৫০০০/-(চার লক্ষ পয়তাল্লিশ হাজার) টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ভাতকুড়া গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিন( এই অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী জানান বিগত ০৬/০৬/২০১৮ ইং তারিখে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে “স্পেয়ার মেকানিক” পদে চাকুরির জন্য আবেদন করি। যাহার বিজ্ঞপ্তির […]
২ মিনিটে পড়ুন |
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (উপ- সহকারী) কৃষি কর্মকর্তা আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ৪,৪৫০০০/-(চার লক্ষ পয়তাল্লিশ হাজার) টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ভাতকুড়া গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিন( এই অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী জানান বিগত ০৬/০৬/২০১৮ ইং তারিখে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে “স্পেয়ার মেকানিক” পদে চাকুরির জন্য আবেদন করি। যাহার বিজ্ঞপ্তির স্বারক নং- ১২,০১,০০০০/৩৮,১১,০০৫-২০১৮ ৭০০৩ যার ০১/১০/২০২১ ইং তারিখের লিখিত পরিক্ষায় আমি উত্তীর্ণ হওয়ার পর গোপালপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ আমার সাথে যোগাযোগ করে আমাকে চাকুরী দেওয়ার প্রলোভন দেখায় এবং তাহার উপর মহলে বড় পদের লোক আছে বলে জানায় এবং শতভাগ চাকুরী পাওয়ার নিশ্চয়তা দেখিয়ে ৭,০০,০০০/- (সাত লক্ষ) টাকা দাবি করে। আমার বাবা-মা নেই। চাকুরীটা আমার খুব প্রয়োজন বিধায় আমি নিরুপায় হয়ে বাবা’র রেখে যাওয়া শেষ সম্বল বাড়ির জমি থেকে জায়গা বিক্রি করে নিম্নক্ত স্বাক্ষীগণের উপস্থিতিতে ২৫/০৬/২০২২ ইং তারিখে নগন ৬,৭০,০০০/- (ছয় লক্ষ সত্তর হাজার) টাকা প্রদান করি। তারপর মৌখিক পরীক্ষার জন্য ০২/০৪/২০২২ ইং তারিখে আমি অংশগ্রহন করি। পরবর্তীতে চূরান্ত ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর আমার নাম পাওয়া যায়নি এবং উক্ত পদের জন্য অন্যান্যদের নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে যায়।
পরবর্তীতে আমকে চাকুরী দিতে না পারায় ২৮/১২/২০২২ ইং তারিখে আংশিক ২,২৫,০০০/- (দুই লঞ্চ পচিশ হাজার) টাকা ফেরত দেয়। অবশিষ্ট ৪,৪৫,০০০/- (চার লক্ষ পয়তাল্লিশ হাজার) টাকা এখন পর্যন্ত ফেরত দেয় নাই। আমি বারবার তাদাগা দিয়েও কোন লাভ হয়নি। ইতিপূর্বে কয়েকবার নিম্নোক্ত স্বাক্ষীগণের মোঃ রবিউল আলম গ্রাম- ভাতকুড়া, ইউনিয়ন -করটিয়া,পোস্ট – টি ভাতকুড়া, থানা জেলা – টাঙ্গাইল এবং মোঃ বাবুল হোসেন, মোঃ উজ্জল মিয়া, মোঃ রাজিব মিয়া ( সকলের ঠিকানা একই) এর উপস্থিতিতে আপেল মাহমুদকে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি টাকা ফেরত না দিয়ে আমার উপর বিভিন্ন হুমকি ধামকি ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৫/১২/২০২৪ ইং তারিখে তাহার অভিভাবক আমার বাড়িতে আসার পর প্রকাশ্যে টাকা ফেরত চাওয়ার কথা বললে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং দেশিও লাঠি সোটা দিয়ে আমাকে আঘাত হানির চেষ্টা করে এবং টাকা ফেরত না দেওয়ার হুমকি দিয়ে যায়।
উল্লেখ্য আমি একজন ভুক্তভোগী হিসেবে ন্যায়বিচার পাবার লক্ষ্যে
উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, টাঙ্গাইল মহোদয়ের নিকট আবেদন করি যাহার স্মারক নং- ১২.১৭.৯৩০০.০৪১.৩৮.৪৯.২৪.১১৪৫ তদন্ত করে কোন ন্যায় বিচার আমি পাইনি।
আইনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে।আমি একজন শিক্ষিত বেকার, এতিম ও অসহায় ছেলে। আমি প্রশাসনের কাছে আমার বাকি টাকা ফেরতের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আপেল মাহমুদের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।