স্টাফ রিপোর্টারঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, নগদ টাকা লুট ও প্রাইভেটকার ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আহত আতিকুর রহমান আতিক দৈনিক মাতৃছায়া পত্রিকার বাসাইল উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এ ঘটনায় বাসাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তার বাবা আব্দুর রশিদ মিয়া। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, […]
স্টাফ রিপোর্টারঃ
টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, নগদ টাকা লুট ও প্রাইভেটকার ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আহত আতিকুর রহমান আতিক দৈনিক মাতৃছায়া পত্রিকার বাসাইল উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এ ঘটনায় বাসাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তার বাবা আব্দুর রশিদ মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আতিকুর রহমান আতিক ও তার চাচাতো ভাই কাদের খান হারভেস্টার মেশিন দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের ধান কাটার কাজ করেন। গত ১৬ মে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হারভেস্টার মেশিনটি বিকল হলে সেটি মেরামতের জন্য একটি প্রাইভেটকার নিয়ে কাশিল বটতলা বাজার এলাকার নাদিম টেলিকমের সামনে যান আতিক।
এ সময় আগে থেকে অবস্থান নেওয়া জাকির ওরফে খিরু মিয়া, সিয়াম মিয়া, মজিদ মিয়া, মিল্টন, সিদ্দিক মিয়া, সাবানা আক্তার, শারমিন আক্তার ও ইভা আক্তারসহ আরও কয়েকজন তার পথরোধ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তারা আতিককে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করে। হামলায় বাঁশের লাঠি ও লোহার রড ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার একপর্যায়ে আতিকের কাছে থাকা ধান কাটার শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বাবদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ভাঙচুর করে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়।
পরদিন ১৭ মে সকালে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটি দেখতে ঘটনাস্থলে গেলে আবারও তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় ধারালো লোহার শিকের আঘাতে আতিকের মাথার পেছনে গুরুতর জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত আতিকুর রহমান আতিকের পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, “ এ ব্যাপারে মামলা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।