· হাফিজুর রহমান: ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সরাসরি মাঠপর্যায়ে তদারকি শুরু করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৬ জুন) তিনি আকস্মিকভাবে রাজধানীর গুলশান ও তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেল পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি বৃহৎ করদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কার্যালয়ও পরিদর্শন করেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের […]
·
হাফিজুর রহমান:
ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সরাসরি মাঠপর্যায়ে তদারকি শুরু করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৬ জুন) তিনি আকস্মিকভাবে রাজধানীর গুলশান ও তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেল পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি বৃহৎ করদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কার্যালয়ও পরিদর্শন করেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের চলমান তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন পরিচালিত হয়।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কার্যালয়গুলোর রাজস্ব আদায় কার্যক্রম, বকেয়া ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের অগ্রগতি, ফাইল নিষ্পত্তির গতি এবং সেবার মান সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন মিজ ফরিদা খানম। তাদের অভিজ্ঞতা, মতামত ও বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, নামজারি এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে যেসব জটিলতার কথা নাগরিকরা তুলে ধরেন, সেগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, “জনগণের দোরগোড়ায় সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পৌঁছে দেওয়া প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বা অযথা ভোগান্তির কোনো সুযোগ নেই। সবাইকে আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে রাজস্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই উন্নয়ন ও সরকারি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নিয়মিত রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকল করদাতাকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
জেলা প্রশাসকের এই সরেজমিন পরিদর্শন ও নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় রাজস্ব প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনসেবার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।