[location_search]
সম্পূর্ণ নিউজ ভোরের বাংলাদেশ

এক্সক্লুসিভ
৯:৪২ অপরাহ্ণ, ১৬ মে ২০২৬

মানবিক প্রশাসনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এস এম রিজভী ও তাঁর সহকর্মীরা

মোঃ আবদুল মান্নান বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা ও ধারণা রয়েছে। দীর্ঘসূত্রতা, জটিলতা, দাপ্তরিক ধীরগতি কিংবা হয়রানির অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনসংক্রান্ত জটিলতা অনেক সময় তাদের জীবনের সবচেয়ে দুশ্চিন্তার অধ্যায়ে পরিণত হয়। জীবনের সবচেয়ে কর্মক্ষম সময় রাষ্ট্রের সেবায় ব্যয় করার পরও যখন একজন অবসরপ্রাপ্ত মানুষ […]

মানবিক প্রশাসনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এস এম রিজভী ও তাঁর সহকর্মীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ মিনিটে পড়ুন |

মোঃ আবদুল মান্নান

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা ও ধারণা রয়েছে। দীর্ঘসূত্রতা, জটিলতা, দাপ্তরিক ধীরগতি কিংবা হয়রানির অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনসংক্রান্ত জটিলতা অনেক সময় তাদের জীবনের সবচেয়ে দুশ্চিন্তার অধ্যায়ে পরিণত হয়। জীবনের সবচেয়ে কর্মক্ষম সময় রাষ্ট্রের সেবায় ব্যয় করার পরও যখন একজন অবসরপ্রাপ্ত মানুষ তাঁর ন্যায্য পাওনা বুঝে পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন, তখন সেটি শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়—মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবে এই বাস্তবতার মাঝেও কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা নিজেদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সেবাকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যান। তাঁরা প্রমাণ করেন, প্রশাসন মানে শুধু ফাইলের স্তূপ নয়; প্রশাসন মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সমস্যার সমাধানে আন্তরিক হওয়া এবং দায়িত্বকে সেবায় রূপান্তরিত করা। তেমনই এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এস এম রিজভী এবং তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তারা। অতিসম্প্রতি ডা. মোঃ আতোয়ার রহমানের অবসরজনিত পেনশনের একটি জটিলতা নিরসনের জন্য আমরা দুজন গিয়েছিলাম হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে। উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘদিনের একটি সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। সরকারি অফিসে যাওয়ার আগে স্বাভাবিকভাবেই মনে কিছুটা শঙ্কা কাজ করছিল—কাজটি আদৌ হবে কি না, কত সময় লাগবে, কত ধাপে ঘুরতে হবে—এসব প্রশ্ন ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমরা যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম, তা আমাদের দীর্ঘদিনের ধারণাকে বদলে দিল। এস এম রিজভীর সঙ্গে আমার পরিচয় আজকের নয়। আশির দশকের গোড়ার দিকে নাগরপুর সরকারি কলেজে ছাত্রাবস্থায় আমাদের পরিচয় ও সখ্যতা গড়ে উঠেছিল। সময়ের ব্যবধানে আমরা যে যার কর্মজীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও মানুষের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা যে এতটুকু বদলায়নি, সেটি আবারও নতুনভাবে উপলব্ধি করলাম। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হয়েও তাঁর আচরণে বিন্দুমাত্র অহংকার বা দূরত্ব ছিল না। বরং পুরোনো সম্পর্কের উষ্ণতা, সৌহার্দ্য ও আন্তরিক অভ্যর্থনায় আমরা দুজনই মুগ্ধ হয়েছি। বর্তমান সময়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে অবস্থান করে অনেকেই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যান। ব্যস্ততা, প্রটোকল কিংবা ক্ষমতার দূরত্ব তাঁদের চারপাশে একধরনের অদৃশ্য দেয়াল তৈরি করে। কিন্তু এস এম রিজভীর মধ্যে আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন এক চিত্র দেখেছি। তিনি মনোযোগ দিয়ে পুরো সমস্যাটি শুনলেন, প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বুঝলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিলেন। এটি নিছক সৌজন্যতা ছিল না; এটি ছিল দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার এক অসাধারণ সমন্বয়। ডা. আতোয়ার রহমানের কাজটি মূলত তাঁর অধীনস্থ অন্য একটি অফিসে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। সাধারণ নিয়মে হয়তো আমাদের সেখানে গিয়ে আবার নতুন করে যোগাযোগ করতে হতো, নানা ব্যাখ্যা দিতে হতো, সময়ক্ষেপণের শিকার হতে হতো। কিন্তু এস এম রিজভী নিজেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করলেন এবং আমাদের সেখানে পাঠিয়ে দিলেন। এই একটি উদ্যোগই পুরো প্রক্রিয়াটিকে অনেক সহজ ও গতিশীল করে তুলেছে। প্রশাসনে দায়িত্বশীলতার প্রকৃত অর্থ এখানেই। একজন কর্মকর্তা যদি আন্তরিকভাবে চান, তবে একটি কাজ কত দ্রুত ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হতে পারে—এই ঘটনাটি তার বাস্তব উদাহরণ। সরকারি সেবাকে মানবিক ও জনবান্ধব করার জন্য শুধু আইন বা নীতিমালা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সদিচ্ছা, দায়বদ্ধতা এবং মানুষের প্রতি সম্মানবোধ। এস এম রিজভীর আচরণে আমরা সেই গুণগুলোরই প্রতিফলন দেখেছি। আরও আনন্দের বিষয় হলো, তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তারাও একই রকম আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট অফিসে যাওয়ার পর তাঁরা অত্যন্ত সৌজন্যের সঙ্গে আমাদের গ্রহণ করেন। ডা. আতোয়ার রহমানের যাবতীয় কাগজপত্র মনোযোগ সহকারে গ্রহণ করা হয় এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়। তাঁদের ব্যবহারে কোথাও বিরক্তি, অনীহা কিংবা অবহেলার ছাপ ছিল না। বরং মনে হয়েছে, তাঁরা দায়িত্বকে কেবল চাকরির অংশ হিসেবে নয়, মানুষের সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখেন। বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এমন ইতিবাচক অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। কারণ রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা অনেকাংশেই নির্ভর করে সরকারি দপ্তরে প্রাপ্ত আচরণ ও সেবার ওপর। একজন নাগরিক যখন একটি অফিসে গিয়ে সম্মান পান, সমস্যার সমাধানে আন্তরিকতা দেখেন, তখন তাঁর মনে রাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। অন্যদিকে অবহেলা ও হয়রানি মানুষের মনে ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দেয়। আমাদের দেশে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনপ্রক্রিয়া অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় জটিলতায় আটকে যায়। বয়সের ভার, শারীরিক অসুস্থতা এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে তাঁদের জন্য এসব জটিলতা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় যদি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আন্তরিকতা ও সহমর্মিতার সঙ্গে কাজ করেন, তাহলে মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে যায়। এস এম রিজভী ও তাঁর সহকর্মীদের আচরণ সেই মানবিক প্রশাসনেরই এক উজ্জ্বল উদাহরণ। একটি রাষ্ট্র কেবল অবকাঠামো বা উন্নয়ন প্রকল্প দিয়ে বড় হয় না; রাষ্ট্র বড় হয় তার সেবাব্যবস্থার মানবিকতা দিয়ে। একটি অফিসে একজন নাগরিক কেমন ব্যবহার পেলেন, তাঁর সমস্যাকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হলো—এসব বিষয়ই শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের প্রকৃত চেহারা নির্ধারণ করে। আমরা প্রায়ই নেতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা শুনি, কিন্তু ইতিবাচক ঘটনাগুলোও সমান গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা প্রয়োজন। কারণ ভালো কাজের স্বীকৃতি অন্যদেরও উৎসাহিত করে। এস এম রিজভীর মধ্যে আমরা যে গুণগুলো দেখেছি, তার মধ্যে অন্যতম হলো বিনয়। উচ্চপদে থেকেও তিনি সহজ-সরল আচরণ বজায় রেখেছেন। তাঁর কথাবার্তায় ছিল আন্তরিকতা, ব্যবহারে ছিল সৌজন্য এবং সিদ্ধান্তে ছিল দায়িত্বশীলতা। এই গুণগুলোই একজন প্রকৃত প্রশাসকের পরিচয় বহন করে। বাংলাদেশের প্রশাসনে এখনও অনেক সৎ, দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তা রয়েছেন, যাঁরা নীরবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের কাজের কথা খুব কমই আলোচনায় আসে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে একপাক্ষিক নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। বাস্তবে প্রশাসনের ভেতরে অনেক ভালো মানুষ আছেন, যাঁরা মানুষের কষ্ট বোঝেন এবং সমাধানের জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেন। এস এম রিজভী ও তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তারা সেই আলোকিত ধারার প্রতিনিধিত্ব করছেন। এ ধরনের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা শুধু সৌজন্যের বিষয় নয়; এটি সামাজিক দায়িত্বও বটে। কারণ সমাজে ভালো কাজের স্বীকৃতি না থাকলে মানুষ ধীরে ধীরে অনুপ্রেরণা হারিয়ে ফেলে। আমরা যদি শুধু সমালোচনাই করি এবং ভালো কাজকে মূল্যায়ন না করি, তাহলে ইতিবাচক পরিবর্তনের সংস্কৃতি গড়ে উঠবে না। তাই যে কর্মকর্তা দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার পরিচয় দেন, তাঁকে প্রকাশ্যে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানানো উচিত। এই অভিজ্ঞতা আমাদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে—প্রশাসনের মানবিক চেহারা গড়ে তুলতে ব্যক্তির মানসিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই নিয়ম-কানুনের মধ্যেও কেউ হয়রানির পরিবেশ তৈরি করেন, আবার কেউ আন্তরিকতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সহজ করে দেন। পার্থক্যটা মূলত দৃষ্টিভঙ্গিতে। এস এম রিজভী ও তাঁর সহকর্মীরা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে দেখিয়েছেন, সরকারি সেবাও হতে পারে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও কার্যকর। আমরা প্রায়ই শুনি, সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষকে ঘুরতে হয়, দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়, একটি ফাইলের জন্য অসংখ্য টেবিল ঘুরতে হয়। এসব বাস্তবতা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এর বিপরীতে যখন কোনো অফিসে গিয়ে আন্তরিক সহযোগিতা পাওয়া যায়, তখন সেটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। কারণ ভালো উদাহরণগুলোই পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করে। ডা. মোঃ আতোয়ার রহমানের পেনশনসংক্রান্ত জটিলতার সমাধানে যেভাবে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা কেবল একটি প্রশাসনিক কাজ নয়; এটি একজন অবসরপ্রাপ্ত মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শনেরও দৃষ্টান্ত। কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রকে দেওয়ার পর একজন মানুষ যখন তাঁর প্রাপ্য অধিকার পেতে সহযোগিতা পান, তখন সেটি তাঁর আত্মমর্যাদাকেও সম্মানিত করে। এই ঘটনাটি আমাদের মনে আশার সঞ্চার করেছে। এখনও প্রশাসনের ভেতরে এমন মানুষ আছেন, যাঁরা দায়িত্বকে শুধু কর্তব্য নয়, নৈতিক দায়িত্ব হিসেবেও দেখেন। তাঁরা বুঝতে পারেন, তাঁদের একটি সদয় আচরণ একজন মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করতে পারে। এই উপলব্ধিই একজন কর্মকর্তাকে সাধারণের কাছে শ্রদ্ধার আসনে নিয়ে যায়। এস এম রিজভীর প্রতি ব্যক্তিগতভাবে আমার কৃতজ্ঞতা আরও একটি কারণে গভীর। দীর্ঘ সময় পর দেখা হলেও তাঁর আচরণে পুরোনো সম্পর্কের আন্তরিকতা অটুট ছিল। তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক দূরত্ব তৈরি করেননি; বরং বন্ধুত্বপূর্ণ উষ্ণতায় আমাদের গ্রহণ করেছেন। এই মানবিক গুণই তাঁকে আরও বড় করে তুলেছে। একজন কর্মকর্তার প্রকৃত মূল্যায়ন শুধু তাঁর পদমর্যাদা দিয়ে হয় না; তাঁর ব্যবহার, সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার মাধ্যমেই তাঁর প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায়। এস এম রিজভী সেই পরীক্ষায় নিঃসন্দেহে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তারাও একইভাবে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে প্রশংসার দাবিদার হয়েছেন। বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে হলে এ ধরনের কর্মকর্তাদের সংখ্যা বাড়াতে হবে। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজন নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ এবং নাগরিকসেবার প্রতি আন্তরিক প্রতিশ্রুতি। কারণ একটি অফিসের পরিবেশ অনেকাংশে নির্ভর করে নেতৃত্বের ওপর। নেতৃত্ব যদি ইতিবাচক হয়, তাহলে অধীনস্থ কর্মকর্তারাও সেই ধারা অনুসরণ করেন। এস এম রিজভীর অফিসে গিয়ে আমরা সেই ইতিবাচক সাংগঠনিক সংস্কৃতিরই প্রতিফলন দেখেছি। আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও অর্থনীতিতে পরিবর্তন দৃশ্যমান। কিন্তু প্রশাসনিক সেবার মান উন্নয়ন ছাড়া সেই অগ্রগতি পূর্ণতা পাবে না। নাগরিকবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন দায়িত্বশীল ও মানবিক কর্মকর্তাদের। এস এম রিজভী ও তাঁর সহকর্মীরা সেই পরিবর্তনেরই আশাব্যঞ্জক প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি, দেশের অন্যান্য সরকারি দপ্তরও যদি এ ধরনের আন্তরিকতা ও দায়বদ্ধতার চর্চা করে, তাহলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেক কমে যাবে। রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। নাগরিক ও প্রশাসনের মধ্যে যে দূরত্ব রয়েছে, তা কমে আসবে। পরিশেষে, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এস এম রিজভী এবং তাঁর অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, গভীর ধন্যবাদ ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাই। তাঁদের সৌজন্য, আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক আচরণ আমাদের মুগ্ধ করেছে। তাঁরা প্রমাণ করেছেন, সদিচ্ছা থাকলে প্রশাসনও হতে পারে মানুষের আস্থার জায়গা, সহযোগিতার আশ্রয় এবং মানবিকতার উজ্জ্বল উদাহরণ। আমরা আশা করি, তাঁদের এই ইতিবাচক দৃষ্টান্ত অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে। সরকারি সেবার প্রতিটি স্তরে যদি এমন মানবিকতা ও দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থেই একটি জনবান্ধব ও সেবামুখী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর

প্রতিনিধি নিবে ভোরের বাংলাদেশ
১ সপ্তাহ আগে

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
আরও ভোরের বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com