মো নাজিম আলী রাঙামাটি প্রতিনিধি রাঙামাটির বরকল উপজেলার হরিনা বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ মোজাম্মেল হক তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা করলেও একটি চক্র তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, প্রায় ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে […]
মো নাজিম আলী রাঙামাটি প্রতিনিধি
রাঙামাটির বরকল উপজেলার হরিনা বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ মোজাম্মেল হক তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা করলেও একটি চক্র তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, প্রায় ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি হরিনা বাজারে কাঠ ও অন্যান্য ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ব্যবসায়িক জীবনে কখনো কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছে প্রায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং তা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে। তাকে কখনো চোরাকারবারী, আবার কখনো অবৈধ পণ্য পরিবহনকারী হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।
মোজাম্মেল হক আরও বলেন, রাঙামাটি থেকে হরিনা পর্যন্ত সড়কে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবির একাধিক চেকপোস্ট রয়েছে। নিয়মিত তল্লাশির মধ্য দিয়ে পণ্য পরিবহন করা হয়, ফলে অবৈধ কোনো কর্মকাণ্ডের সুযোগ নেই। তবুও তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ তুলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন এবং নিজের নিরাপত্তা চেয়ে বরকল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এবং সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যেন এ ধরনের চাঁদাবাজি ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এসময় স্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তারা বলেন, একজন ব্যবসায়ীর সুনাম নষ্ট করার জন্য এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ হওয়া উচিত এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।