[location_search]
সম্পূর্ণ নিউজ ভোরের বাংলাদেশ

জাতীয়
৪:৩৮ অপরাহ্ণ, ৬ মে ২০২৬

কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও ভিজিএফ বিতরণ

  মো নাজিম আলী রাঙামাটি প্রতিনিধি রাঙামাটি বিএফডিসির ঘাটে কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্র, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ৬০ মেট্রিক টন কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ভিজিএফ (চাল) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার ০৬ মে ২০২৬, বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে […]

কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও ভিজিএফ বিতরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

 

মো নাজিম আলী রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটি বিএফডিসির ঘাটে কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্র, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ৬০ মেট্রিক টন কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ভিজিএফ (চাল) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার ০৬ মে ২০২৬, বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ কাপ্তাই লেককে কেন্দ্র করে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও জেলেদের কল্যাণে নানা উদ্যোগ গ্রহণের কথা তুলে ধরা হয়। কাপ্তাই হ্রদে নিবন্ধিত প্রায় ২৭ হাজার জেলেকে কৃষি কার্ডের আওতায় আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু,এমপি। তিনি বলেন,কাপ্তাই হ্রদে নিবন্ধিত ২৭ হাজার জেলেকে পর্যায়ক্রমে কৃষি কার্ডের আওতায় আনা হবে। মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। এই সময়ে সরকার জেলেদের খাদ্যশস্য সহায়তা প্রদান করে থাকে। সবাইকে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে বেশি মাছ পাওয়া যায়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন,কাপ্তাই হ্রদ দেশের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির কৃত্রিম জলাধার। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাই প্রতি বছর তিন মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়, যাতে মাছের প্রজনন নিশ্চিত হয়। এই সময়ে ‘মা মাছ’ ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি পর্যটকদেরও সচেতন থাকতে হবে, যাতে তারা হ্রদে পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র বলেন,কাপ্তাই চ্যানেল ও বাঘাইছড়ির কাচালং নদী একসময় মাছের অভয়াশ্রম ও প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। কিন্তু পলি জমার কারণে এসব এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা মাছের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রাঙামাটি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মো. মোবারক হোসেন, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিবসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

মৎস্য আহরণ ও রাজস্বের চিত্র ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, চলতি মৌসুমের ৯ মাসে কাপ্তাই হ্রদ থেকে প্রায় ৯,৯৭১ মেট্রিক টন মাছ আহরণ করা হয়েছে। এ মাছ বিক্রি থেকে সরকার প্রায় ২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব (ভ্যাট/শুল্ক) আদায় করেন।

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
আরও ভোরের বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com