[location_search]
সম্পূর্ণ নিউজ ভোরের বাংলাদেশ

এক্সক্লুসিভ
১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

একান্নবর্তী ঐতিহ্য ধরে রাখলেন ২০১ গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম

হাফিজুর রহমান: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে ফুটে ওঠে এক বিরল দৃশ্য। আধুনিক সমাজে যেখানে যৌথ পরিবারের ধারা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে, সেখানে বিশ্বখ্যাত ২০১ গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম তাঁর ছয় ভাইকে নিয়ে তুলে ধরলেন একান্নবর্তী পারিবারিক ঐতিহ্যের অনন্য উদাহরণ। […]

একান্নবর্তী ঐতিহ্য ধরে রাখলেন ২০১ গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম
২ মিনিটে পড়ুন |

হাফিজুর রহমান:
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে ফুটে ওঠে এক বিরল দৃশ্য। আধুনিক সমাজে যেখানে যৌথ পরিবারের ধারা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে, সেখানে বিশ্বখ্যাত ২০১ গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম তাঁর ছয় ভাইকে নিয়ে তুলে ধরলেন একান্নবর্তী পারিবারিক ঐতিহ্যের অনন্য উদাহরণ।
একান্নবর্তী পরিবারের অটুট বন্ধন
পরিবারের প্রয়াত মাতা রিজিয়া খাতুন সারাজীবন স্বপ্ন দেখতেন তাঁর সন্তানরা যেন একসঙ্গে থেকে পারিবারিক শেকড় ও মূল্যবোধকে ধরে রাখেন। তাঁর সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপ আজও জীবন্ত—


ছয় ভাই
রফিকুল ইসলাম
আব্দুল মান্নান
আব্দুল হান্নান
করিম
হুমায়ুন করিব
মামুন
তিন বোন—
মাজেদা (সেপালি) – মৃত
মলিদা
আরেক বোন (নাম অপ্রদত্ত)
সবাই মিলে এখনও একান্নবর্তী পরিবারের বন্ধন ধরে রেখেছেন। বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হলেও তাঁদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতা আজও অটুট। এছাড়া মেসর আলীবা  মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন ও মিসের আলীর বাবা মসজিদের মোয়াজ্জিন ছিলেন ।
২০১ গম্বুজ মসজিদ: স্বপ্ন থেকে বিশ্বমুখী পথচলা
২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি ২০ বিঘা জমির ওপর উদ্বোধন করা হয় ঐতিহাসিক ২০১ গম্বুজ মসজিদ। অনন্য স্থাপত্যশৈলী, নজরকাড়া গম্বুজসংখ্যা ও মহিমান্বিত নির্মাণশৈলীতে এটি ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়াও চলছে।
মসজিদকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—
এতিমখানা
বৃদ্ধাশ্রম
হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও কুরআন শিক্ষা পাঠাগার
যা পরিচালিত হচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায়।
মূল থেকে উঠে আসা সংগ্রামী পরিবারের গল্প
বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের পিতা মেসের আলী ছিলেন কৃষক; দাদা ভোসা শেখ-ও কৃষক ছিলেন। অল্প বয়সে পিতৃহারা ছয় ভাই তিন বোন একত্রে বড় হয়েছেন মায়ের আদর্শে ও সংগ্রামে।
প্রতিবছর পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমা বোন মাজেদা (সেপালি)-র রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
সিবিএ নেতৃত্বে ৪৩ বছরের গৌরব
রফিকুল ইসলাম টানা ৪৩ বছর জনতা ব্যাংকের সিবিএ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সততা, দৃঢ়তা, শ্রমিকবান্ধব নেতৃত্ব ও মানবিকতার কারণে তিনি ব্যাংকিং খাতে সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
সবার কাছে দোয়া কামনা
একান্নবর্তী এই বৃহৎ পরিবারের অভিন্ন কামনা—
পরিবারের প্রতিটি সদস্য যেন সুস্থ থাকেন, ঐক্য-সম্প্রীতির এই মহিমান্বিত বন্ধন চিরদিন বজায় থাকে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম ও তাঁর পরিবার সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন—
আল্লাহ যেন এই পরিবারকে রক্ষা করেন, মানবিক সেবার পথকে আরও প্রসারিত করার তৌফিক দান করেন।

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর

প্রতিনিধি নিবে ভোরের বাংলাদেশ
৬ দিন আগে

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
আরও ভোরের বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com