ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বই, খাম ও মুদ্রণসামগ্রী ও বিভিন্ন ক্রয় সংক্রান্ত প্রশ্ন; যোগদানের আগেই পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালককে ঘিরে সমালোচনা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কলেজের বিভিন্ন ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে নানা দুর্নীতি অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ উঠা প্রফেসর আলফাতুন(১০৭৩৩) এর দুর্নীতি অনিয়মের বিষয়টি সূরাহ হওয়ার আগেই দুর্নীতি অনিয়মের শাস্তির বদলে পুরস্কার হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন এর সাথে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ মহল এই নিয়োগ দিয়েছে বলে এমন গুরুত্ব অভিযোগ উঠেছে। আলফাতুন অতীতে যেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন সেখানেই নানান অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে
কচুয়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের বিভিন্ন খাতে ব্যয় নিয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে একাধিক অনিয়মের মাধ্যমে দুর্নীতির পন্থা অবলম্বন করার অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের সঙ্গে তৎকালীন অধ্যক্ষ (ইংরেজি) ও পরে ওএসডি হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) সংযুক্ত থাকা মোঃ আলফাতুনের দায়িত্বকাল একাধিক এই অনিয়ম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। এরই মধ্যে একজন দুর্নীতিবাজ কে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকার পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পূর্বক বদলি করা হয়েছে। যার ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতি জিরো টলারেন্সে আনার বদলে নতুন করে দুর্নীতির বীজ বপন করা হচ্ছে বলে একাধিক মহল থেকে এমন অভিযোগ উঠেছে।
এদিকেও অনুসন্ধানে ভোরের বাংলাদেশ–এর হাতে থাকা নিরীক্ষা-সংক্রান্ত নথি অনুযায়ী, কয়েকটি ব্যয় নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়নি বলে পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক কোড ৩২১১১২৭ (বইপত্র ও সাময়িকী) খাতে ১১ মে ২০২৬ তারিখে ২০,৩০০ টাকার বই ক্রয়ের ভাউচার দাখিল করা হলেও এ ক্রয়ের জন্য কোনো চাহিদাপত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়া লাইব্রেরির একসেশন রেজিস্টারে বই গ্রহণের তথ্য বা বই বুঝে পাওয়ার কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি। এ কারণে ভ্যাট ও আয়কর বাদে ১৭,২৫৫ টাকা বিধি-বহির্ভূত ব্যয় হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে বলে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া ১৯ মে ২০২৬ তারিখের ৬৫ নম্বর ভাউচার অনুযায়ী, ৩৫,৪০০ টাকার ছোট খাম, বড় খাম, কলেজের প্যাডসহ বিভিন্ন মুদ্রণসামগ্রী ক্রয়ের তথ্য পাওয়া যায়। তবে নিরীক্ষা পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এসব সামগ্রী মুদ্রণের জন্য কোনো চাহিদাপত্র পাওয়া যায়নি। একই ধরনের খাম পূর্বে মুদ্রিত থাকা সত্ত্বেও নতুন করে কতটুকু প্রয়োজন ছিল, তার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যাও নথিতে পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি স্টক রেজিস্টারে এসব সামগ্রীর এন্ট্রি এবং মালামাল বুঝে পাওয়ার প্রমাণও অনুপস্থিত ছিল। এ কারণে ভ্যাট ও আয়কর বাদে ৩০,০৯৪ টাকা বিধি-বহির্ভূত ব্যয় হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনের এসব পর্যবেক্ষণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে মোহাম্মদ আলফাতুনের যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ভোরের বাংলাদেশ প্রতিপাদকে জানান আমি যেগুলো করেছি নিয়ম অনুযায়ী করেছি আমাকে আমার কোন দোষ নেই। এদিকে আরো জানা গেছে পরের সংক্রান্ত কোন মিটিং না করে অধ্যক্ষ নিজেই কলেজ ফান্ডের একাউন্ট থেকে টাকা উঠিয়ে নিজের খেয়াল খুশি হত খরচ করে ধরা খেয়ে সরা করেছে এবং গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালক পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগ পাওয়া আলফাতুন এর বিরুদ্ধে । এদিকে আরো জানা গেছে এই আলফাতুন শিক্ষা মন্ত্রীর এলাকার পাশের ইউনিয়নের বাসিন্দা । একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় শিক্ষা মন্ত্রীর নাম বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করে প্রফেসর আলফাতুন
(চলবে…)